
অন্টারিওর সার্নিয়ার একটি প্লাস্টিক প্ল্যান্টের মালিকপক্ষ বছরের পর বছর ধরে বিপজ্জনক মাত্রায় ক্যানসারের জন্য দায়ী রাসায়নিক বেনজিন নির্গত করে আসছে। কঠোর ফেডারেল আইন মেনে চলতে তাদের আরও সময়ের প্রয়োজন বলে জানিয়েছে তারা।
এনভায়রনমেন্ট কানাডা মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে সার্নিয়া এলাকায় বায়ুর নতুন মানদ- বেঁধে দেয়। ইনিয়স স্টাইরোলুশনকে মাথায় রেখেই সার্নিয়ায় নতুন এই নিয়ম আনা হয়েছে। পরিবেশমন্ত্রী স্টিফেন গাইলবোল্ট স্বাক্ষরিত আদেশ ২০২৩ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি সময়ে প্রতি ঘনমিটার বাতাসে ২৯ মাইক্রোগ্রামের বেশি বেনজিন দূষণকারী যেকোনো প্ল্যান্টের ক্ষেত্রেই নিয়মটি প্রযোজ্য হবে।
জার্মান মালিকানাধীন স্টাইরিন প্রস্তুতকারক ইনিয়সই নির্ধারিত এই মাত্রার চেয়ে বেশি বেনজিন নির্গমনকারী একমাত্র প্ল্যান্ট। ১৬ এপ্রিল এয়ার মনিটরে ব্যাপক মাত্রায় বেনজিনের মাত্রা পাওয়ার পর ২০ এপ্রিল ইনিয়স প্ল্যান্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়। ক্লিন এয়ার সার্নিয়া ও আমজিওয়ানাগ ফার্স্ট নেশন ব্যান্ড অফিসের কাছে এরিয়া মনিটরিং নেটওয়ার্কেং প্রতি ঘনমিটার বাতাসে বেনজিনের মাত্রা পাওয়া যায় ১১৫ মাইক্রোগ্রাম।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ইনিয়স বলেছে, কঠোর নিঃসরণ সীমা মেনে চলতে কোম্পানি লক্ষ্যণীয় মাত্রায় বিনিয়োগ করেছে। নতুন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না করা পর্যন্ত তাদের প্ল্যান্টটি বন্ধ থাকবে।
ইনিয়স আরও বলেছে, তড়িঘড়ি করে সাইট থেকে বেনজিন খালি করতে গেলে নিরাপত্তার ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণে ফেডারেল সরকারের কাছে তারা আরও সময় চেয়েছে। তাদের ট্যাঙ্ক থেকে সব বেনজিন খালি ও পরিস্কার করতে প্রয়োজন নিখুত পরিকল্পনা এবং এর ফলে আরও নিঃসরণ হতে পারে। এনভায়রনমেন্ট কানাডার আশু চাহিদার বিষয়টি আমরা বুঝতে পেরেছি। আমাদের বক্তব্য পরিস্কার। আর তা হচ্ছে দ্রত গতি নয় নিরাপত্তাই হতে হবে প্রাথমিক বিবেচনা। এমনটাই বলেন ইনিয়সের প্রতিনিধি ব্রায়ান লুকাস।
সব সময়ই তারা নিঃসরণ সীমার মধ্যে থেকে কারখানা পরিচলনা করেছে বলেও দাবি ইনিয়সের।

