
বব অকটারলোনির কাজ হচ্ছে পরবর্তী সংকট মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকা। তা সে দাবানল হোক, বন্যা, হারিকেন বা অন্য মহাদেশে যুদ্ধ।
কানাডিয়ান জয়েন্ট অপারেশন্স কমান্ডের কমান্ডার হিসেবে এই ভাইস অ্যাডমিরালের জন্য ২০২৩ ছিল দারুণ একটি বছর। এর মধ্যে ছিল সুদান ও ইসরায়েল থেকে কানাডিয়ানদের আকাশপথে উদ্ধার কার্যক্রম সমন্বয় করা, লেবানন এবং হাইতি থেকে সম্ভাব্য উদ্ধার কার্যক্রমের পরিকল্পনা করা এবং দেশেল মধ্যে বর্ধিত চাহিদা ব্যবস্থাপনা করা।
২০২৪ সালের দিকে তাকিয়ে অকটারলোনি বলেন, আমার মনে হয় এই চাপ অব্যাহত থাকবে এবং পরিবর্তনশীল বিশে^ কানাডিয়ানরা অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দে রয়েছে।
বছর শেষে সাক্ষাৎকারে ঘনিষ্ঠ নজর রাখা একাধিক আন্তর্জাতিক ইস্যুতে চোখ রাখেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে রাশিয়ার ইউক্রেন হামলা, হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধ এবং আফ্রিকান দেশগুলোতে সাম্প্রতি অভ্যুত্থান। সেই সঙ্গে বলকান অঞ্চলে সংঘাত এবং ভেনিজুয়েলার মতো দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর সামনে উপস্থিত চ্যালেঞ্জসমূহ।
তিনি বলেন, আমরা বর্তমানে এর মাঝখানে আছি এবং বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা পরিস্থিতির যে ব্যাপক অবনতি হয়েছে সবাই সে ব্যাপারে অবগত কিনা আমি নিশ্চিত নই। কানাডিয়ানরা সব সময়ই তুলনামূলক নিরাপদে থাকে। কারণ, আমাদের চারপাশে আছে তিনটি মহাসাগর এবং যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু সামনে কী আসতে পােের সে ব্যাপারে সতর্ক থাকা তার দায়িত্্ এবং তিনি খুব বেশি আশাবাদী হতে পারছেন না।
তিনি বলেন, কানাডিয়ানরা নিরাপদ ও সুরক্ষিত বোধ করেন ভেবে আমি খুবই খুশী। আমি এও মনে করি যে এতে কোনো কৃত্রিমতা নেই।
বৃহৎ বৈশ্বিক শক্তিগুলোর মধ্যকার বর্ধিত প্রতিযোগিতা এবং যেসব দেশে আইনভিত্তিক আন্তর্জাতিক নিয়মনীতির ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দেশগুলোর মধ্যকার উত্তেজনার বিষয়টি উল্লেখ করেন তিনি। সেই সঙ্গে চীন, রাশিয়া ও ইরানের মতো যেসব দেশ এক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে তারও উল্লেখ করেন।
এসবই মধ্য শক্তি হয়ে থাকাকে কঠিন করে তুলছে বলে জানান অকটারলোনি। বিশেষ করে তাদের জন্য যারা নতুন নিরাপত্তা সক্ষমতায় বিনিয়োগে পেরে উঠছে না। তবে কানাডার প্রভাব আগের চেয়ে কমেছে কিনা সে ব্যাপারে তিনি কোনো উত্তর দেননি।

