
বাসিন্দারা কিং স্ট্রিটকার ব্যবহারে যাতে আগ্রহী হয় সেজন্য এটিকে দ্রুতগতির করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন টরন্টো মেয়র অলিভিয়া চাউ। সিটিনিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যানজট কমাতে সম্ভাব্য সবকিছুই করছে সিটি। যানজটের কারণে কিং স্ট্রিট পাইলটিং শুরু হওয়ার আগের তুলনায় ধীর গতিতে স্ট্রিটকার চলছে।
তিনি বলেন, আমার লক্ষ্য হচ্ছে কোভিড-১৯ মহামারির আগের মতোই লোকজন স্ট্রিটকার ব্যবহার করুক। পাইলটিংয়ের সময় এটি যেমন দ্রুতগতির ছিল তেমন অবস্থায় ফিরুক।
সিটিনিউজের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাথার্স্ট থেকে জার্ভিস স্ট্রিট পর্যন্ত পূর্বগামী ভ্রমণ সময় সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে ২০১৭ সালের পাইলটিংয়ের আগে গড়ে ১৯ থেকে ২৬ মিনিট লাগত। এখন সেখানে সময় লাগছে গড়ে ২২ থেকে ২৯ মিনিট।
কিং স্ট্রিট পাইলট কর্মসূচি ২০১৯ সালে স্থায়ী করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, দৈনিক যাত্রী সংখ্যা ১৬ শতাংশ বেড়েছে। সে সময় ব্যাথার্স্ট থেকে জার্ভিস স্ট্রিটে যেতে সময় লাগত ১৬ মিনিট।
পরীক্ষামূলক এই কর্মসূচিতে টরন্টোর চালকদের ইন্টারসেকশনের মধ্য দিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়। তারা কেবল ডানে মোড় নিতে পারে।
চাউ বলেন, কিং স্ট্রিটে তারা ১০টি ট্রাফিক এজেন্ট মোতায়েন করেছেন। এগুলো হলো ইউনিভার্সিটি অ্যাভিনিউ, বে, ইয়ং, চার্চ এবং জার্ভিস স্ট্রিট। তবে চূড়ান্তভাবে এ সংক্যাকে ৫০টিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ছাড়া সিটি কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত সময়ের তিন মাস আগেই অর্থাৎ ডিসেম্বরের শেষ দিকে অ্যাডিলেইড স্ট্রিট খুলে দেওয়ার আশা করছে। এটা কিছুটা হলেও কিং স্ট্রিটের যানজট কমাতে সহায়ক বলে বলে জানান মেয়র অলিভিয়া চাউ।

