
বাড়ির দাম সহনীয় রাখতে সরবরাহ বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন কানাডার অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড। এর বাইরে অন্য পদক্ষেপও সরকারকে নিতে হতে পারে বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড বলেন, এ ইস্যুতে ফেডারেল সরকার নি¤œ স্তরের সরকারগুলোর সঙ্গে কাজ করতে চায়। কারণ, সিটি কর্তৃপক্ষ, প্রদেশ ও অটোয়া একসঙ্গে কাজ করলে আরও ভালো ফলাফল আসবে।
তবে আর কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে গ্রেটার ভ্যাংকুভার বোর্ড অব ট্রেডের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় তা খোলাসা করেননি অর্থমন্ত্রী।
সাশ্রয়ে বাড়ির জন্য এবারের বাজেটে আগামী পাঁচ বছরের জন্য ২৪০ কোটি ডলার বরাদ্দ প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। ১৮০ কোটি ডলার দিয়ে চলতি অর্থবছরের কাজ শুরু হবে। এছাড়া বিদেশি মালিকরা তাদের বাড়ি ফেলে রাখলেও তার ওপর কর প্রস্তাব করা হয়েছে এবারের বাজেটে।
ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড ওবলেন, ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার হুইসলারের মতো কিছু এলাকার বাড়ির ওপর এ ধরনের কর আরোপে সমস্যা হতে পারে। কারণ, আমেরিকানদের ছুটি কাটানোর জন্য অনেক বাড়ি আছে এখানে।
বিদেশি ক্রেতাদের বিদেশে সম্পদ রাখার মাধ্যম হিসেবে বাড়িকে ব্যবহার করার যেহেতু সুযোগ নেই তাই সহনীয় দামই এখানে সবচেয়ে বড় ও প্রধান উদ্বেগ বলে জানান ফ্রিল্যান্ড। তিনি বলেন, প্রদেশ ও মিউনিসিপ্যালিটিগুলোর সঙ্গে যে কাজটা আমরা করতে চাই তা হলো কানাডায় বাড়ির জোগান বৃদ্ধিতে আরও সৃষ্টিশীল উপায় খুঁজে বের করা।
কানাডায় বাড়ির দাম অব্যাহতভাবে বাড়তে থাকায় আবাসন বাজারে হস্তক্ষেপের ব্যাপারে ফেডারেল সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে। কারণ, গত মার্চেই কানাডায় বাড়ির গড় দাম রেকর্ড ৭ লাখ ১৭ হাজার ডলারে পৌঁছে গেছে। কানাডিয়ান রিয়েল এস্টেট অ্যাসোসিয়েশনের হিসাবে এ দাম গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩২ শতাংশ বেশি।

