
মূল্যস্ফীতির হার ৩ শতাংশের কাছাকাছি চলে আসায় পণ্যের বার্ষিক মূল্যবৃদ্ধি কমে আসতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। এমনকি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এসে পণ্যের দাম কমতেও পারে বলে মনে করেন তারা।
স্ট্যাটিস্টিকস কানাডা তাদের জুন মাসের ভোক্তা মূল্যসূচক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে যাচ্ছে। তাদের হিসাব অনুযায়ী, মে মাসে বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হার ৩ দশমিক ৪ শতাংশে নেমে এসেছে।
সিআইবিসির অর্থনীতি বিষয়ক নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু গ্র্যান্থাম বলেন, মূল্যস্ফীতি বার্ষিক তিন শতাংশে নেমে আসবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি। এর কারণ মূলত গ্যাসোলিনের মূল্য পতন।
তবে চলতি বছর মূল্যস্ফীতি খুব বেশি কমবে বলে আশা করার মতো কিছু নেই। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দুই শতাংশের যে লক্ষ্যমাত্রা তা অর্জনে সময় লাগবে।
ডেজার্ডিন্সের প্রধান অর্থনীতিবিদ জিমি জাঁ বলেন, আমাদের মতে, মূল্যস্ফীতি হ্রাসের ক্ষেত্রে জুন গুরুত্বপূর্ণ মাস হতে যাচ্ছে। এ মাস পার হওয়ার মূল্যস্ফীতি সন্তোষজনক অবস্থানে আসতে দীর্ঘ সময় লেগে যাবে।
গ্র্যান্থাম বলেন, সামনের মাসগুলোতে সিআইবিসির মূল্যস্ফীতির যে পূর্বাভাস তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতোই। তবে কোনো কোনো মাসে মূল্যস্ফীতি বাড়তেও পারে।
এদিকে বেকারত্বের হার বাড়তে থাকায় কানাডার শ্রমবাজারে শৈথিল্য আসতে শুরু করেছে। স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার উপাত্ত বলছে, পরিবারগুলোর সঞ্চয়ও কমে আসছে।
এদিকে স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার গত মে মাসের মর্টগেজ ইন্টারেস্ট কস্ট ইনডেস্ক বেড়ে দাঁড়ায় ২৯ দশমিক ৯ শতাংশে, যা সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধির রেকর্ড। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, মর্টগেজের সুদের হারও মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।
মর্টগেজের সুদের হার বাদ দিলে মে মাসে বার্ষিক মূল্যবৃদ্ধির হার ছিল মাত্র ২ দশমিক ৫ শতাংশ। এটা ব্যাংক অব কানাডার লক্ষ্যের মধ্যেই রয়েছে।

