
মজুরি ও মূল্য স্বাভাবিকের চেয়ে বাড়বে বলে প্রত্যাশা করছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। যদিও এগুলো মহামারি-পূর্বর্তী অবস্থার দিকে এগোচ্ছে বলে ব্যাংক অব কানাডার নতুন এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে।
সমীক্ষায় ব্যবসার ব্যাপারে বলা হয়েছে, মহামারির পর থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো সামনের বছর মজুরি বৃদ্ধির হার কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানগুলোও তাদের কাঁচামাল ও উৎপাদিত পণ্যের দাম আগামী ১২ মাসে কম বাড়বে বলে মনে করছে। যদিও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো মূল্যচাপ এবং শ্রমিক সংকটকে প্রধান উদ্বেগ হিসেবে দেখছে। আগের বছর এ নিয়ে আলোচনা হয়েছিল তুলনামূলক কম। এর বিপরীতে সাম্প্রতিক প্রান্তিকগুলোতে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে চাহিদা হ্রাস।
সার্বিকভাবে সমীক্ষায় সামনের বছর বিক্রয় প্রবৃদ্ধি হ্রাসের কারণে ব্যবসায়ীদের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাবের বিষয়টিতে ইঙ্গিত করা হয়েছে। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রতি পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের একটি বিক্রয় হ্রাসের প্রত্যাশা করছে। যদিও দ্বিতীয় প্রান্তিকের সমীক্ষায় খুব কম সংখ্যক প্রতিষ্ঠানই মন্দার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে। প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় মাত্র এক-তৃতীয়াংশ প্রতিষ্ঠান মন্দার জন্য পরিকল্পনা করছে।
ভোক্তা সমীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী সিংহভাগ কানাডিয়ানের কাছে প্রধান উদ্বেগ জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি। কারণ, অধিকাংশ মর্টগেজ গ্রহীতাই মনে করছে, নবায়নের সময় তাদের ঋণ পরিশোধের পরিমাণ বেড়ে যাবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উচ্চ ঋণ পরিশোধ সামাল দিতে পারবেন বলে আশাবাদী অধিকাংশ মর্টগেজ গ্রহীতা। যদিও সেটা করতে গিয়ে তাদের দৈনন্দিন খরচে লাগাম দিতে হবে।
যদিও দ্বিতীয় প্রান্তিকের সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫০ শতাংশ ভোক্তা মন্দা আসন্ন বলে মনে করেছিলেন। প্রথম প্রান্তিকের সমীক্ষায় এ ধরনের মনোভাব পোষণকারী ভোক্তার হার ছিল ৫৮ শতাংশ।
এর আগে স্ট্যাটিস্টিকস কানাডা তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, এপ্রিলে প্রকৃত দেশীয় উৎপাদন অপরিবর্তিত রয়েছে। মার্চে এক্ষেত্রে দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল। যদিও মে মাসে দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির আগাম হিসাব করেছিল সংস্থাটি।
সুদের হার সংক্রান্ত সর্বশেষ সিদ্ধান্তে সুদের হার বাড়িয়ে ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশে উন্নীত করেছে ব্যাংক অব কানাডা।

