
প্রথম ঘটনাটি ঘটেছিল গত বছরের অক্টোবরে। রেস্তোরাঁর দুটি জানালা ও একটি কাচের দরজা ভাংচুর করা হয়েছিল। বালোটিন বলেন, ভাঙা জানলাগুলোর একটি দিয়ে পাথর ছুঁড়ে মারা হয় এবং তার ইতালি থেকে আনা গেলাটো ফ্রিজের গ্লাস ডোর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেক বেশি ব্যয়বহুল হওয়ার কারণে এগুলো আর মেরামতের দিকে যাননি তিনি। এ ছাড়া বিদেশ থেকে এগুলো আনাটাও সময়সাপেক্ষ। সব মিলিয়ে এগুলো মেরামত করতে গেলে সাত হাজারের ধাক্কা।
প্রায় এক মাস পর বালোটিনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চার্চ স্ট্রিট এসপ্রেসো দ্বিতীয়বার ভাংচুরের শিকার হয়। এবার দুটি জানালা ভাংচুর করা হয়। আবারও ব্যয়বহুল মেরামতের দিকে না গিয়ে দুই সন্তানের পিতা বালোটিন জানালাগুলোয় কাঠের পাল্লা লাগান। এটা যে কাঠের সেটা ঢাকতে কিছু নকল গ্রিনারি ব্যবহার করেন। এটা না করে মেরামতের দিকে গেলে সাকুল্যে তার খরচ হতো ১২ হাজার ডলার।
কেন তিনি মেরামত করলেন না? এই প্রশ্নের উত্তরে বালোটিন বলেন, কোভিড থেকে বেরিয়ে আসার পর এমনিতেই আমি খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি। অনেক বিল জমেছে। আমিই একমাত্র উপার্জনকারী।
ভাংচুরের দুটি ঘটনাই ঘটেছিল ভোরের দিকে। তার ক্যাফের বাইরে রাখা সার্ভিলেন্স ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, সাদা মাস্ক পরিহিত একই ব্যক্তি দ্বিতীয়বার ভাংচুর চালায়। প্রথমবার তারা রোলারব্লেড পরিহি অবস্থায় ছিল। দ্বিতীয়বার সন্দেহভাজনরা রানিং স্যু পরিহিত অবস্থায় খালি পায়ে এসেছিল।
টরন্টো পুলিশ বলছে, ২০২২ সালের অক্টোবর থেকে তারা উল্লেখিত ঠিকানায় একটি ভাংচুরের বিষয়ে জানতে পেরেছে। এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজনকে চিহিন্ত করা যায়নি।
বালোটিন বলেন, দ্বিতীয়বার ভাংচুরের পর পুলিশকে জানানোর প্রয়োজন বোধ করিনি। এর কোনো মানে হয় না। আমি সপ্তাহে সাতদিনই কাজ করি। এর বাইরে আমার অন্য কিছু ভাবার ফুসরত নেই। আমার মনে হয় আমাকে তাড়ানোর জন্য অভিযানে নেমেছে তারা।

