
আসন্ন ছুটির মৌসুমে ফ্লাইট বিলম্ব এড়ানো সম্ভব হবে না বলে সতর্ক করে দিয়েছে আকাশ পরিবহন শিল্প। এর কারণ চলমান শ্রমিক সংকট।
সংসদীয় কমিটির শুনানিতে ভ্রমণ শিল্পের প্রতিনিধিরা বলেন, বৈমানিক ও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের মতো কর্মীদের ধরে রাখার যে সমস্যা তা ব্যস্ত ভ্রমণ মৌসুম শীতেও অব্যাহত থাকবে।
এয়ারলাইন পাইলট অ্যাসোসিয়েশন কানাডার প্রেসিডেন্ট টিম পেরি এমপিদের বলেন,বৈমানিকদের ধরে রাখতে এয়ারলাইন্সগুলো যথেষ্ট করছে না। কারণ, এয়ারলাইন্সগুলো বেতন বৃদ্ধিতে বাধা দিচ্ছে। দেশে বৈমানিকদের ঘিরে সমস্যাকে শ্রমিক সংকট হিসেবে দেখা অতি সরলীকরণ। শূন্যপদ পূরণে এয়ারলাইন্সগুলো অস্থায়ী বিদেশি কর্মীদের ওপর নির্ভর করছে, যা কিছু ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ ও নিরাপত্তার উদ্বেগ বাড়িয়ে দিচ্ছে। অন্যান্য অঞ্চলের বৈমানিকরা মৌলিকভাবেই তাদের নিজেদের ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন এবং সার্বিকভাবে দর কষাকষির প্রক্রিয়াকে খাটো করে দেখে থাকেন।
স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার তথ্য অনুযায়ী, জুলাই থেকে শূন্যপদ সামান্য কমলেও আগস্টেও শ্রমবাজার আটোসাঁটোই ছিল। আগস্টে ট্রান্সপোর্টেশন ওয়্যারহাউজিং শিল্পে পদ খালি ছিল ৫ দশমিক ৯ শতাংশ, আগের মাসের চেয়ে যা এক শতাংশীয় পয়েন্ট কম। যেসব খাতে সবচেয়ে বেশি কর্ম খালি আছে এটি সেগুলোর অন্যতম।
কানাডিয়ান এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট নিক ভন শোয়েনবার্গ কমিটিকে বলেন, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে, যা কর্মীদের চাহিদা অগ্রহণযোগ্য মাত্রায় বাড়িয়ে দিয়েছে। কারণ, প্রয়োজন মেটানোর মতো যথেষ্ট সংখ্যক টন্ট্রোলার নেই।
ওয়েস্টজেটের এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু গিবন্সও কমিটির বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন। তিনি বলেন, তার কোম্পানি ও খাত এখন পর্যন্ত যেসব সংকটের মুখে পড়েছে মহামারি তার মধ্যে সবচেয়ে বড়। এখনো আমরা বিপদমুক্ত হয়নি। সংকটের প্রভাব আমাদের এখনো মোকাবিলা করতে হচ্ছে। আকাশ পরিবহন খাতের ঘুরে দাঁড়ানোর ওপর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের ঘাটতি ভূমিকা রেখেছে। অর্থাৎ, এয়ার কন্ট্রোলারের ঘাটতি খাতটির ঘুরে দাঁড়ানোকে বিলম্বিত করছে।
বৈমানিক সংকটের বিষয়ে ন্যাশনাল এয়ারলাইন্স কাউন্সিল অব কানাডা কোনো মন্তব্য করেনি।

