
রন বাটলার ৩০ বছর আগে যখন তার মর্টগেজ ব্যবসা শুরু করেন তখন একজন গ্রোসারি স্টোরের ব্যবস্থাপক বা খন্ডকালীন নার্সের পক্ষে ৫ শতাংশ ডাউনপেমেন্ট দিয়ে বাড়ি কেনাটা সহজ ছিল। সম্প্রতি সংসদীয় ফাইন্যান্স কমিটির শুনানিতে বাটলার বলেন, ওই দিন আর নেই।
কারো যদি একটি স্থিতিশীল পুর্ণকালীন চাকরি থাকে এবং আজকে তিনি একটি বাড়ি কিনতে চান তাহলে ন্যূনতম ডাউনপেমেন্টের জন্য তাকে কী পরিমাণ অর্থ সঞ্চয় করতে হবে? শুনানিতে এই প্রশ্ন করা হয়েছিল তাকে। জবাবে বাটলার বলেন, এটাযদি গ্রেটার টরন্টো এরিয়াতে (জিটিএ) হয় তাহলে বাস্তবতা হলো কখনোই তারা তা পারবেন না।
তিনি বলেন, আপনি যদি এক লাখ ১০ হাজার থেকে এক লাখ ১৫ হাজার ডলার আয় করে থাকেন তাহলে আপনাকে বাড়ি ভাড়া পরিশোধ করতে হয়, আপনাকে খেতে হয়, আাপনাকে বসবাস করতে হয়। আপনি সম্ভবত এখনো ১০ লাখ ডলারের নিচে থাকা বাড়ির জন্য সন্তোষজনক ডাউনপেমেন্ট জোগাড় করতে পারবেন না। ২০১৫ সালের আগে অন্টারিওতে কোনো পরিবারের আয় বছরে এক লাখ ১৫ হাজার ডলার হলে তিনি একটি বাড়ির মালিক হতে পারতেন। তারা অ্যাজাক্স, বার্লিংটন, হ্যামিল্টন অথবা নায়াগ্রা অঞ্চলে কোনো সিঙ্গেল ফ্যামিলি হোম কিনতে পারতেসন। আজ এক লাখ ১৫ হাজার ডলার আয় দিয়ে সত্যিই কোনো কিছু কেনা যাবে না।
কানাডিয়ান রিয়েল এস্টেট অ্যাসোসিয়েশনের (সিআরইএ) ২০২৬ সালের মার্চের তথ্য অনুযায়ী, কানাডায় বাড়ির গড় জাতীয় বিক্রয় মূল্য ৬ লাখ ৭৩ হাজার ৮৪ ডলার। এর অর্থ হলো আপনাকে ন্যূনতম ডাউনপেমেন্ট দিতে হবে ৪২ হাজার ডলারের কিছু বেশি। কিন্তু গ্রেটার টরন্টো এরিয়াতে বাড়ির গড় বিক্রয় মূল্য ছিল মার্চে ১০ লাখ ১৭ হাজার ৭৯৬ ডলার এবং গ্রেটার ভ্যানকুভারে ১২ লাখ ১ হাজার ১২৩ ডলার। এই দুই ক্ষেত্রে ন্যূনতম ডাউনপেমেন্ট যথাক্রমে ৭৬ হাজার এবং ৯৫ হাজার ডলার।

