
এটা আতঙ্কের যে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি চীনকে কৌশলগত অংশীদার উল্লেখ করে চীনা পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতার গোপন চুক্তির ব্যাপারে রাজি হয়েছেন। অতীতে এ ধরনের চুক্তির খুবই বিতর্কিত প্রকৃতির কারণে এতে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ রয়েছে।
চীনের অনুমতি ছাড়া যেহেতু চুক্তির বিস্তারিত প্রকাশ হবে না তাই আমরা যেটুকু জানতে পারছি তা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থেকেই। গত জানুয়ারিতে বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী যখন তার ইভি-ক্যানোল চুক্তির কথা ঘোষণা করেন তখন এটা জানানো হয়। এর আগে গত এপ্রিলে ফেডারেল নির্বাচন চলাকালীন কার্নি চীনকে কানাডার জন্য সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।
কার্নি এবং শির সম্মতি দেওয়া চুক্তি অনুযায়ী, জননিরাপত্তা এবং সুরক্ষায় কানাডা এবং চীন বাস্তবানুগ এবং গঠনমূলক সম্পর্কে থাকবে। মাদক চোরাচালান, সাইবার ক্রাইম, সিন্থেটিক ড্রাগ এবং অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে আমাদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে। সেই সঙ্গে উভয় দেশের জন্য মানুষদের জন্য একটি নিরাপদ কমিউনিটি গড়ে তোলা হবে।
গত মাসে ন্যাশনাল ফাইন্যান্স বিষয়ক সেনেট কমিটির সামনে দেওয়া সাক্ষে সিনিয়র ডেপুটি আরসিএমপি কমিশনার ব্রায়ান লার্কিন চীনকে আমাদের অংশীদার উল্লেখ করেন। সেই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারককে ২০১০, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলোর আরও শক্তিশালীকরণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে কানাডিয়ান ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস শুক্রবার তাদের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে চীনকে কানাডার জন্য অব্যাহত নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যারা কানাডিয়ান জনগণ, বেসরকারি এবং অ্যাকাডেমিক খাতকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে।

