
কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বড় অঙ্কের তহবিল দিচ্ছে অন্টারিও। সেই সঙ্গে টিউশন ফি বৃদ্ধির ওপর সাত বছর ধরে যে স্থগিতাদেশ আছে তাও তুলে নেওয়া হচ্ছে, যাতে করে বড় ধরনের যে আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে তা থেকে উত্তরণ ঘটানো যায়।
কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক মন্ত্রী নোলান কিন বৃহস্পতিবার এক ঘোষণায় বলেন, সরকার শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক সহায়তা অনুদান কমিয়ে আনবে এবং ঋণের দিকে বেশি করে ঝুঁকবে। উচ্চ টিউশন ফির সঙ্গে এটা যোগ হলে তা উভয় সংকটের কারণ হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ফান্ডিং ফর্মুলা পর্যালোচনা ও নিয়ে জোরেশোরে কাজ করার পর পোস্ট সেকেন্ডারি খাতে আগামী চার বছরে অতিরিক্ত ৬৪০ কোটি ডলারের এই ঘোষণা কিন দিলেন। তিনি বলেছেন, আগামীতে অন্টারিওতে যদি আমরা প্রতিযোগিতামূলক কর্মীবাহিনী চাই তাহলে আমাদের পোস্ট সেকেন্ডারি ইনস্টিটিউশনগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে। এবং সেটাই আমাদের সরকার করছে।
অন্টারিওর কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দীর্ঘদিন ধরে কম সরকারি তহবিলের মুখে রয়েছে। ২০১৯ সাল থেকে টিউশন ফি স্থির অবস্থায় রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা ব্যাপকমাত্রায় কমে গেছে। স্থানীয় শিক্ষার্থীদের চেয়ে এই আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অনেক বেশি টিউশন ফি নেওয়া হয়।
সরকার টিউশন ফি ১০ শতাংশ হ্রাস এবং সাত বছর ধরে তা একই অবস্থানে রাখায় আর্থিক ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা আনতে বিশেষ করে কলেজগুলোকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের টিউশন রাজস্বের ওপর বেশি করে ঝুঁকে পড়তে হয়। ২০২৩ সালে সরকারের এক বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদনে নির্ভরশীলতাকে বড় ধরনের আর্থিক ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
কলেজগুলো বলছে, সরকারের এই পদক্ষেপের কারণে ২০২৭-২৮ সালে রাজস্ব কমবে ৪২০ কোটি ডলার। কলেজগুলো এরই মধ্যে ১৪০ কোটি ডলার ব্যয় কমিয়েছে, ৬০০ এর বেশি প্রোগ্রাম বাতিল করেছে এবং আট হাজারের বেশি কর্মী পদ কমিয়েছে। এসবই তারা করেছে অর্থ সাশ্রয়ের জন্য।

