
জানুয়ারিতে কানাডায় কর্মসংস্থানের ছবিটা মিশ্র। মাসটিতে অর্থনীতি ২৫ হাজার কর্মসংস্থান হারিয়েছে। কিন্তু বেকারত্বের হার ৬ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে এসেছে। শুক্রবার প্রকাশিত স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের পর বেকারত্বের হার সর্বনি¤েœ নেমে এসেছে। এর কারণ মূলত কম সংখ্যক মানুষের সক্রিয়ভাবে চাকরি খোঁজা।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণ কমে ৬৫ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে জানুয়ারিতে কাজের মধ্যে নেই আবার চাকরিও খোঁজেননি এমন লোকের সংখ্যা এক বছর আগের একই সময়ের তুলনায় বেশি রয়েছে।
কর্মসংস্থান সবেচেয় বেশি কমেছে উৎপাদন খাতে। গত ১০ মাস ধরে মার্কিন শুল্কের কারণে বিধ্বস্ত খাতটির জন্য এটি আরেকটি বড় ধরনের ধাক্কা। শিক্ষা সেবা এবং জনপ্রশাসনেও জানুয়ারিতে কর্মসংস্থান হ্রাস পেয়েছে।
বিএমওর প্রধান অর্থনীতিবিদ ডগলাস পর্টার বলেছেন, এটা কি ভালো খবর নাকি খারাপ খবর? উত্তর হচ্ছে উভয়টিই। যদিও খারাপের দিকে কিছুটা ঝুঁকি আছে।
খন্ডকালীন কর্মসংস্থান হ্রাসের কারণেই মূলত জানুয়ারি মাসে কর্মসংস্থানে পতন। মাসটিতে খ-কালীন কর্মসংস্থান কমেছে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ৮ শতাংশ। তবে পূর্ণকালীন কর্মসংস্থান কিছুটা বৃদ্ধি অংশত এই ধাক্কা পুষিয়ে দিয়েছে।
মাসটিতে বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থান কমেছে ৫২ হাজার। ২০২৫ সালের শেষ তিন মাসে বেসরকারী খাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছিল। সরকারি খাতে কর্মসংস্থানে পরিবর্তন আসলেও তা সামান্য।
জানুয়ারিতে অন্টারিওতে কর্মসংস্থান হ্রাস পেয়েছে ৭৬ হাজার। তবে এই সময়ে আলবার্টায় কর্মসংস্থান বেড়েছে ২০ হাজার, সাস্কেচুয়ানে ৬ হাজার ১০০ এবং নিউফাউন্ডল্যান্ড ও ল্যাব্রাডরে ৩ হাজার ৮০০।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে ঘণ্টাপ্রতি মজুরি আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। মাসটিতে ঘণ্টাপ্রতি মজুরি ১ দশমিক ১৮ ডলার বেড়ে ৩৭ দশমিক ১৭ ডলারে উন্নীত হয়েছে।

