
বিশিষ্ট রিয়েলটর, বাংলাদেশ প্লাজার ডিরেক্টর এবং টরন্টো হোম বিল্ডার্স ইনকের সিইও আব্দুল আউয়াল বাড়ি কেনা-বেচায় অসাধারণ সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবারও অর্জন করেছেন বিভিন্ন সম্মাননা। পেয়েছেন চেয়ারম্যান ক্লাব অ্যাওয়ার্ড, এচিভম্যান্ট অ্যাওয়ার্ড এবং নাম্বার ওয়ান গ্রস কমিশন অ্যাওয়ার্ড। তিনি টানা দশ বছর চেয়ারম্যান ক্লাব অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন—যা রিয়েল এস্টেট সেক্টরে সত্যিই বিস্ময়কর একটি অর্জন।
গত ১৭ জানুয়ারি ব্রাম্পটনের গ্র্যান্ড এম্পায়ারে কানাডার সর্ববৃহৎ রিয়েল এস্টেট ব্রোকারেজ হোমলাইফ মিরাকল আয়োজিত বর্ণাঢ্য গালা নাইটে প্রায় হাজার অতিথির উপস্থিতিতে তাকে এই অ্যাওয়ার্ডগুলো প্রদান করা হয়। প্রতিবছরের মতোই পুরো আয়োজনটি ধারণ করে কানাডার প্রথম চব্বিশ ঘন্টার বাংলা টেলিভিশন চ্যানেল এনআরবি টিভি।
রিয়েল এস্টেট মার্কেটে গত কয়েক বছরে নানা চড়াই-উৎরাই থাকা সত্ত্বেও আব্দুল আউয়ালের সাফল্যে ভাটা পড়েনি একটুও। ২০২৫ সালে সর্বোচ্চ প্রপার্টি কেনা-বেচা এবং সেক্টরে অসামান্য পারফরম্যান্স প্রদর্শন করায় তাকে এ সম্মাননা দেয়া হয়।
এ্যাওয়ার্ড গ্রহণের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আব্দুল আউয়াল বাংলামেইলকে বলেন, “সর্বপ্রথম মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞতা। কৃতজ্ঞ আমার সকল ক্লায়েন্টদের প্রতি। আমি চেষ্টা করি ক্লায়েন্টকে সর্বোচ্চ সেবা দিতে। বিক্রি বাড়ানোর চাইতে একজন সন্তুষ্ট ও হাস্যমুখী ক্লায়েন্ট আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। জীবনে সবসময় চেষ্টা করি সততা ও পরিশ্রমের সঙ্গে কাজ করতে। যিনি জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগটি করছেন, তাঁর আস্থা ও বিশ্বাস যেনো নিরাপদ ও লাভজনক হয়—এটাই আমার প্রথম দায়িত্ব। এই পুরস্কার সেই ভালোবাসা ও আস্থার ফল। এটি আমাকে আরও দায়িত্বশীল করেছে। ২০২৫ সাল রিয়েল এস্টেটের জন্য ছিলো বড় চ্যালেঞ্জ, কিন্তু আমি সবসময় ক্লায়েন্টদের পাশে ছিলাম এবং থাকবো।”
হোমলাইফ মিরাকল রিয়েলটি লিমিটেডের কর্ণধার ও ব্রোকার অব রেকর্ড অজয় শাহ বলেন, “হোমলাইফ মিরাকল উত্তর আমেরিকার সর্ববৃহৎ রিয়েল এস্টেট ব্রোকারেজ। এখানে প্রায় ৩৫০০ এজেন্ট রয়েছে। তাদের মধ্যে থেকে চেয়ারম্যান ক্লাব, এচিভম্যান্ট ও নাম্বার ওয়ান গ্রস কমিশন অ্যাওয়ার্ড অর্জন সত্যিই অসাধারণ। আব্দুল আউয়াল একজন মিরাকেল পারফরমার এজেন্ট। বাড়ি কেনা-বেচায় তিনি সুপার-ডুপার এজেন্ট।”
রিয়েলটর আব্দুল আউয়ালের এই অর্জনে সাপ্তাহিক বাংলামেইল পরিবারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন।

