
অন্টারিও মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (ওএমএ) আবারও অন্টারিওতে পারিবারিক চিকিৎসকের সংকট নিয়ে সতর্ক করে দিয়েছে। ওএমএর প্রেসিডেন্ট ডা. জয়নাব আব্দুর রহমান বলেন, অন্টারিওতে ২৫ লাখের বেশি মানুষের কোনো পারিবারিক চিকিৎসক নেই। এই সংখ্যা ক্রমেই বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আমরা মনে করছি অন্টারিওতে পারিবারিক চিকিৎসক না থাকা মানুষের সংখ্যা বেড়ে ৪৪ লাখে উন্নীত হবে। এটা দ্বারা এই ইঙ্গিতই দিচেছ যে, অবসরের পরিকল্পনাকারী পারিবারিক চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়ছে। এ ছাড়া ফ্যামিলি মেডিসিনে খুব বেশি পারিবারিক চিকিৎসক প্রবেশ করছে না। এ কারণেই্ এই সংকট এবং দুর্ভাগ্যবশত এটা অব্যাহত রয়েছে এবং বাড়ছে।
পারিবারিক চিকিৎসকের ঘাটতির অর্থ হলো জরুরি কক্ষগুলোতে অপেক্ষমাণ সময় বৃদ্ধি এবং গুরুতর অসুস্থতা আরও বেড়ে যাওয়া।
ডা. আব্দুর রহমান বলেন, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার প্রবেশ পয়েন্ট হচ্ছে জরুরি বিভাগসমূহ। জরুরি বিভাগে অপেক্ষমাণ সময় বেড়ে যাওয়ার অর্থ হলো দীর্ঘমেয়াদি রোগ চিকিৎসার বাইরে থেকে যাওয়া এবং প্রতিরোধযোগ্য জটিলতা বৃদ্ধি সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়ানো। সুতরাং, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা, জরুরি কক্ষ, যেকোনো ধরনের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পরিস্থিতির ওপর আমরা চাপ দেখতে পাব।
নিয়োগের ক্ষেত্রে মিউনিসিপালিটি এবং হাসপাতালগুলো যা করতে পারে তা তারা করছে। সেই সঙ্গে শিক্ষা সম্পন্ন করার পর চিকিৎসকদের সেখানে অবস্থান করার আহ্বান জানাচ্ছে। ওরিলিয়া অ্যান্ড লেক কান্ট্রি ফিজিশিয়ান রিক্রুটমেন্ট (ওএলসিপিআর) কর্মসূচি এর একটি উদাহরণ।
ডা. স্টিফেন মরিস গত অক্টোবরে ওরিলিয়াতে তার প্র্যাক্টিস শুরু করেন। তিনি বলেন, ওএলসিপিআর রূপান্তরটি নির্বিধঘœ করেছে। ডা. মরিসের প্র্যাক্টিস শুরুর পর ৫ মাস হয়ে গেছে। তবে পারিবারিক চিকিৎসক না থাকা মানুষের সংখ্যা লক্ষণীয়।
তিনি বলেন, নতুন চিকিৎসক হিসেবে আমি বর্তমানে দেখছি যে, তাদের ১০ বছর, ১২ বছর, ১৫ বছর কোনো পারিবারিক কোনো চিকিৎসক ছিল না। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদী রোগ বেগেড় গেছে, ক্যানসারের শনাক্ত হয়নি। দশকের পর দশক ধরে এগুলো হয়নি।

