
প্রদেশে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় অন্টারিওর বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ২১০ কোটি ডলারের বেশি রাজস্ব ঘাটতির মুখে রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কাউন্সিল অব অন্টারিও ইউনিভার্সিটিজ এই সতর্কতা দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমানোর কারণে গত বছর বিশ^বিদ্যালয়গুলোর রাজস্ব কমেছে ৩০ কোটি ডলার। এ বছর রাজস্ব কমেছে ৭০ কোটি ডলার এবং আগামী বছর এর পরিমাণ ১১০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী কমানোর ফলে বিশ^বিদ্যালয়গুলোতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীভর্তি কমে গেছে। এর ফলে গত বছর ৩০ কোটি ডলার রাজস্ব কমার পক্ষে শক্তিশালী প্রমাণ রয়েছে। গত কয়েক বছরে বিশ^বিদ্যালয়গুলো বিভিন্ন প্রোগ্রাম ও সেবায় ৫০ কোটি ডলারের মতো কমিয়েছে এবং রাজস্ব যেহেতু অব্যাহতভাবে কমছে তাই আগামীতে আরও প্রোগ্রাম ও সেবা হ্রাস করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফেডারেল সরকার ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হ্রাস ও এর সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেয়। এর ফলে প্রদেশের বেশ কিছু বিশ^বিদ্যালয় ও কলেজ শিক্ষার্থীভর্তিতে সমস্যায় পড়ে এবং রাজস্ব ক্ষতি হয়।
অটোয়া ২০২৬ সালের জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী সংখ্যা আরও কমানোর ঘোষণা দেওয়ায় খাতটিতে আরও আঘাত আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী আরও কমানোর ঘোষণা দেয় অটোয়া।
ফেডারেল সরকার প্রদেশভিত্তিক আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী বরাদ্দের তথ্য প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা গেছে, ৭০ হাজার ৭৪টি স্টাডি পারমিট ইস্যুর বিপরীতে অন্টারিও এক লাখ ৪ হাজার ৭৮০টি আবেদন গ্রহণ করেছে।
একইসঙ্গে অন্টারিও ৪৯ হাজার মাস্টার’স ও পিএইচডি শিক্ষার্থীর একটি অংশ ভর্তি করতে পারবে। ২০২৫ সালে অন্টারিওর বিপরীতে এক লাখ ৪৯ হাজার ১১টি স্টাডি পারমিটের আবেদন বরাদ্দ করা হয়। এর বাইরে গ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে ৩২ হাজার ৫৭৯ জন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি দেওয়া হয়।

