
বৃহৎ গ্রোসারদের মুনাফার সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কৃষকরা। একে হতাশাজনক ও বিস্ময়কর বলে মন্তব্য করেছে দি কানাডিয়ান ফেডারেশন অব ইন্ডিপেন্ডেন্ট গ্রোসার্স।
গ্রোসারি স্টোরগুলোর সরকারি মালিকানা নিয়ে ন্যাশনাল ফারমার্স ইউনিয়নের যে চেষ্টা তা নিয়েও খুশি নন ফেডারেশনের সদস্যরা। কানাডিয়ান ফুড সাপ্লাই চেইনের কেউ একজন চেইনের আরেকজনের দিকে আঙুল তুলছে এটা দেখাটা খুবই হতাশার। কারণ, তাদের আরও ভালোমতো জানা দরকার। এবং সরবরাহকারকদের দিকে আমাদের আঙুল তোলা উচিত নয়। আমরা কৃষকদের দিকে আমাদের আঙুল তুলব না।
খাবারের মূল্য বৃদ্ধির একক কোনো কারণ নেই। কানাডিয়ান খাদ্য ব্যবস্থা জটিল ও একটি আরেকটির সঙ্গে সম্পর্কিত। খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধির জন্য কি কনসলিডেশন দায়ী, যারা মূল্য আমরা পরিশোধ করছি। দৃঢ়তার সঙ্গে আমি বলব, না। এটাকে সমর্থন করার পক্ষে কোনো প্রমাণ নেই।
গত সপ্তাহে নিউ ব্রান্সউইকের মঙ্কটনে অনুষ্ঠিত কৃষক ইউনিয়নের বার্ষিক সম্মেলনে গৃহীত নয়টি প্রস্তাবে মুনাফার সর্বোচ্চ সীমা আরোপের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই প্রস্তাবগুলোর প্রতিক্রিয়ায় এগ্রিকালচার অ্যান্ড এগ্রি-ফুড কানাডা বলেছে, সাম্প্রতিক মূল্যস্ফীতির উপাত্তে ২০২০ সালের পর মাসিকভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির হারে সবচেয়ে বড় পতন হয়েছে।
আরও বলা হয়েছে, বৃহৎ গ্রোসারি চেইনগুলোর প্রতিযোগিতাবিরোধী আচরণ রোধে সরকারের সামর্থ্য বৃদ্ধি এবং একীভুক্তকরণ প্রক্রিয়া শক্তিশালী করতে ২০২৩ সালে প্রতিযোগিতা আইনে পরিবর্তন আনে অটোয়া। কানাডিয়ানদের সাশ্রয়ে খাবার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে প্রতিযোগিতা শক্তিশালী করা জরুরি।
ইউনিয়ন সবিস ও লবলর মতো বৃহৎ চেইনগুলোর মুনাফার সর্বোচ্চ সীমা আরোপের পক্ষে তদ্বির করার পাশাপাশি সারা দেশে সরকারিভাবে পরিচালিত গ্রোসারি স্টোরগুলোর একটি জোট গঠনে সহায়তা করতে চায়। অটোয়া বার্ষিক খাদ্য ক্রয় যেনো সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে কেনে তা নিয়ে তদ্বিরের পরিকল্পনা করছে ইউনিয়ন।

