
স্পিড ক্যামেরা নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে অন্টারিওর সিদ্ধান্ত শুক্রবার থেকে কার্যকর হয়েছে। এর পরিবর্তে সড়ক নিরাপদ করতে ২১ কোটি ডলার ব্যয়ের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
এই অর্থ আসবে রোড সেফটি ইনিশিয়েটিভস ফান্ড (আরএসআইএফ) থেকে। এই অর্থ দিয়ে স্পিড ক্যামেরা ছাড়াই স্কুল জোন ও কমিউনিটি সেফটি জোনগুলোর সড়কের নিরাপত্তা বাড়ানো হবে। প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড এর আগে স্পিড ক্যামেরা বাবদ ব্যয়কে করদাতাদের অর্থের অপচয় বলে মন্তব্য করেছিলেন।
আরএসআইএফের অর্থ ব্যয় হবে স্পিড বাম্প, ক্রসওয়াক বৃদ্ধি এবং সাইনেজগুলোর দৃশ্যমানতা বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে। পাশাপাশি স্কুল জোন ও কমিউনিটি সেফটি জোনগুলোর যেসব জায়গায় আগে মিউনিসিপালিটিগুলোর স্পিড ক্যামেরা ছিল সেখানে পুলিশের উপস্থিতি জোরদার করা হবে।
প্রিমিয়ার বলেছেন, স্পিড ক্যামেরা চালকদের গতি কমায় না। যদিও মিউনিসিপালিটিগুলোর পাশাপাশি হসপিটাল ফর সিক চিলড্রেন গবেষকদের সংগৃহীত উপাত্ত এই সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, স্পিড ক্যামেরা যানবাহনের গতি কমিয়েছে।
কর্মসূচিটি পুরোপুরি বাতিল না করে সমন্বয়ের জন্য ২০ জনের বেশি মেয়র প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ডের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু মাত্র দুই দিনে টরন্টোর ১৭টি অটোমেটেড স্পিড ক্যামেরা নামিয়ে ফেলার পর স্পিড ক্যামেরা বন্ধের ব্যাপারে ফোর্ডের উদ্যোগ নতুন গতি পায়।
পরিবহনমন্ত্রী প্রাবমিত সরকারিয়া বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, নতুন রোড সেফটি ইনিশিয়েটিভ ফান্ড থেকে স্পিড বাম্প, ক্রসওয়াক বৃদ্ধি, নতুন সাইনেজ এবং স্কুল ও কমিউনিটি জোনগুলোতে পুলিশের তৎপরতা বাড়ানোর জন্য আশু ৪ কোটি ২০ লাখ ডলার দেওয়া হবে। অবশিষ্ট ১৬ কোটি ৮০ লাখ ডলারের জন্য যোগ্য মিউনিসিপালিটিগুলো আবেদন করতে পারবে।

