
অন্টারিওর প্রোগ্রেসিভ কনজার্ভেটিভ সরকার অপেক্ষাকৃত ছোট আকারের ঘাটতি প্রাক্কলন করছে, যার পরিমাণ এক হাজার ৩৫০ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের মুখে শত শত কোটি ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা করায় এই ঘাটতি প্রাক্কলন করছে তারা।
অর্থমন্ত্রী পিটার বেথলেনফালভি বৃহস্পতিবার কুইন’স পার্কে ফল ইকোনমিক আপডেট ঘোষণার সময় বলেন, সাত বছর আগে যেখানে ছিল বর্তমানে অন্টারিওর অবস্থান তার চেয়ে একেবারেই আলাদা।
এরপর থেকে প্রদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রশংসা করেন তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, আগে থেকেই অনিশ্চয়তায় থাকা বৈশি^ক অর্থনীতিকে আরও বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক।
গত মে মাসে পেশ করা প্রাদেশিক বাজেটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কের মুখে পড়ে সড়ক, রেল ও ট্রানজিটে ব্যয় বাবদ কয়েকশ কোটি ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বাণিজ্য যুদ্ধের মুখে ব্যবসা ও চাকরি সুরক্ষায় সহায়তার অংশ হিসেবে বিভিন্ন তহবিল বাবদও বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ফল ইকোনমিক আপডেটেও বড় ধরনের পরিবর্তনসহ সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হয়েছে।
প্রদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এসব ব্যয় সত্ত্বেও চলতি বছর ঘাটতি প্রাক্কলন করা হয়েছে এক হাজার ৩৫০ কোটি ডলার। বসন্তকালীন বাজেটে ঘাটতি প্রাক্কলন করা হয়েছিল এক হাজার ৪৬০ কোটি ডলার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি রাজস্ব আহরণের কারণেই মূলত এই কম ঘাটতি। বসন্তকালীন বাজেটে পূর্বাভাসের তুলনায় ৩২০ কোটি ডলার বেশি রাজস্ব আহরিত হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব এসেছে মোট ২২ হাজার ৩১০ কোটি ডলার। শক্তিশালী কর রাজস্ব ও বৃহত্তর সরকারি খাত থেকে রাজস্বের কারণেই্ সার্বিক রাজস্ব বৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে।

