
রিফান্ড অর্থাৎ টিকিটের অর্থ ফেরত পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা এয়ার কানাডার হাজারো যাত্রীর মধ্যে কয়েকজন স্পিকারস কর্ণারে পৌঁছান। শ্রমিক ধর্মঘটে তিনদিন ফ্লাইট বন্ধ থাকার তিনমাস পর তারা সেখানে পৌঁছালেন।
আগস্টের ওই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের একজন লিন্ডা এলস্টাড। ফ্লাইট বাতিলের কারণে অন্য এয়ারলাইনে বুকিং বাবদ অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এয়ার কানাডা। পাশাপাশি থাকা-খাওয়ার খরচ পরিশোধের অঙ্গীকারও করেছে এয়ার কানাডা।
এলস্টাড বলেন, কিন্তু তারা (এয়ার কানাডা) কেবল অপেক্ষাই করছে।
অনেক গ্রাহক বলেন, তারা ক্রেডিট কার্ডে অর্থ পরিশোধ করেছেন। এয়ার প্যাসেঞ্জার রাইটসের প্রেসিডেন্ট গাবোর লুকাকস বলেন, এর অর্থ হচ্ছে ক্রেডিট কার্ডে অর্থ পরিশোধ করেছেন তাদের ক্ষেত্রে সুদ যোগ হচ্ছে, যা সমস্যাজনক। অর্থ বিতরণে বিলম্ব কেবল অর্থ পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা গ্রাহকদের জন্য অস্বস্তিকরই না, এটা অবৈধও। আইনে স্পষ্ট বলা আছে, এ ধরনের অভিযোগ এয়ারলাইন্সগুলোকে ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। এই নিষ্পত্তির মধ্যে অর্থ ফেরত দেওয়াও পড়ে। অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর এ জন্য চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় আপনি নিতে পারেন না।
এই অর্থ পরিশোধে এয়ার কানাডার ওপর যথেষ্ট চাপ প্রয়োগ না করার জন্য ফেডারেল সরকারকেও দোষারোপ করেন লুকাকস। তিনি বলেন, আমি জানি যে, কানাডিয়ান ট্রান্সপোর্টেশন এজেন্সি এ নিয়ে একটি তদন্ত করছে। কিন্তু এটি উন্মুক্ত তদন্ত, যেখানে কানাডার নির্বাহীদের তারা কী করছে সে ব্যাপারে সাক্ষী ও ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য ডাকা হয়েছে।
এয়ার কানাডা এক বিবৃতিতে বিলম্বের বিষয়টি স্বীকার করে নিয়ে বলেছে, কিছু বিষয় অন্যগুলোর চেয়ে বেশি জটিল এবং এগুলো সমাধানে সময় লাগছে।

