
প্রথমে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি তরুণদের আত্মত্যাগের কথা বলেছিলেন। এখন ব্যাংক অব কানাডা গভর্নর জীবনযাত্রার মান কমার ব্যাপারে সতর্ক করছেন। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, কানাডার নেতারা দেশ হিসেবে কানাডার অবনতি দেখছেন। কিন্তু এমনটা হওয়ার কথা নয়।
ব্যাংক অব কানাডার গভর্নর টিফ ম্যাকক্লেম বুধবার বন্তুত এমনটাই বলতে চেয়েছেন। কানাডার অর্থনীতির ওপর শুল্কের প্রভাব এবং আমেরিকার সংরক্ষণবাদের প্রভাব নিয়ে কথা বলছিলেন।
তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যবশত এর অর্থ হচ্ছে কিছু একটা পরিবর্তন না হলে আমাদের আয় অনেক কম হবে।
এই ব্যক্তিরা এটা বলতে চাইছেন যে, কানাডিয়ানদের কম অঅর্থ উপার্জনে অভ্যস্ত হতে হবে। জীবনযাত্রার নি¤œমান মেনে নিতে হবে। তবে এটা সবার জন্য নয়। এই বিবৃতির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অংশ হলো কোনো একটা পরিবর্তন না হলে আমাদের কম বেদন মেনে নিতে হবে।
ম্যাকক্লেম পরিস্কার করে বলেন যে, যে ধরনের পরিবর্তন আমাদের প্রয়োজন ব্যাংক অব কানাডা তা আনতে পারবে না। এটা ফেডারেল সরকার এবং কানাডার ব্যবসায় সম্প্রদায়ের কাজ।
সিনিয়র ডেপুটি গভর্নর ক্যারোলিন রজার্স উৎপাদনশীলতা ও আয় বাড়াতে আমাদের অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে কানাডার প্রতি অনেক বছর ধরে আহ্বান জানিয়ে আসছেন। সম্প্রতি তিনি কানাডার ব্যাংকিং ও অর্থনীতির অন্যান্য খাতে আরও বেশি প্রতিযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি প্রদেশগুলোর মধ্যে এখন পর্যন্ত বিদ্যমান বাণিজ্য বাধাগুলো ভেঙে ফেলার ওপর জোর দিয়েছেন।
টরন্টোতে সম্প্রতি রজার্স বলেন, উচ্চ উৎপাদনশীলতা মার্কিন বাণিজ্য নীতি থেকে কানাডাকে সুরক্ষা দেবে না। তবে শুল্কের প্রভাব এড়াতে সহায়তা করবে। এবং প্রকৃত মজুরি বাড়ানোর এটা সবচেয়ে সহজ পথ, যা জীবনকে আরও বেশি সহজ করবে।

