
নিউ ব্রান্সউইকের ঋণে ভারে ন্যুব্জ বিদ্যুৎ পরিষেবার ভবিষ্যৎে নিয়ে আয়োজিত সভায় তিন সদস্যের টিমের কাছে এক গুচ্ছ প্রশ্ন নিয়ে হাজির হয়েছিলেন ফ্রেডেরিক্টনের বাসিন্দা র্যান্ডি ডিকিসন। তার প্রশ্নের শুরুতেই ছিল ক্রয়ক্ষমতা সংক্রান্ত।
তিনি বলেন, স্মার্ট মিটারের প্রসঙ্গ তুলে আমি আমার কথা শুরু করতে যাচ্ছি। গত গ্রীষ্মে যখন আমরা আমাদের বাড়িতে স্মার্ট মিটার বসাই তার পরের মাসেই বিদ্যুৎ বিল ব্যাপক বেড়ে যায়। বাড়িতে কেবল আমি এবং আমার স্ত্রী বসবাস করে। বাড়িটিতে আমরা ১৫ বছর ধরে বসবাস করছি। এটা ভালোভাবে নির্মিত। আমাদের কোনো ধরনের পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়েনি। বিদ্যুৎ খরচ বাড়ানোর মতো কোনো শিশু আমাদের বাড়িতে নেই। কিন্তু সময় সময় বিদ্যুদের হার বৃদ্ধির কারণে আমাদের বিল এখন প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে।
নিউ ব্রান্সউইক পাওয়ার স্মার্ট মিটার স্থাপন শুরু করে ২০২৩ সালের ১ নভেম্বর। সে সময় তারা যুক্তি দেয় যে, গ্যাজেটটির চাহিদা পরিমাপের ক্ষমতা দারুণ।
পরিষেবা সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ ও প্যানেল সদস্য ডানকান হাওথর্ন বলেন, এখন পর্যন্ত যতগুলো পাবলিক সভা করেছেন তার সবগুলোতেই তিনি মিটার সংক্রান্ত অভিযোগ পেয়েছেন। কোম্পানির পক্ষ থেকে আমার কাছে এ ব্যাপারে ভালো কোনো উত্তর নেই।
শুক্রবার ফ্রেডেরিক্টনের হিউ জন ফ্লেমিং ফরেস্ট্রি সেন্টারের অডিটোরিয়ামে যে কয়েক ডজন মানুষ প্যানেলের সামনে তাদের উদ্বেগগুলো তুলে ধরতে জড়ো হয়েছিলেন ডিকিনসন তাদের অন্যতম। বিদ্যুতের হার বৃদ্ধি নিয়ে তাদের সমবেতদের অনেকেই ডিকিনসনের মতো একই উদ্বেগ তুলে ধরেন। গত দুই বছরে বিদ্যুতের হার বাড়ানো হয়েছে ২০ শতাংশের বেশি।
নিউ ব্রান্সউইক পাওয়ারের এই অচলাবস্থা অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রিমিয়ার সুজাস হল্ট। কারণ পরিষেবাটি ৫০০ কোটি ডলারের ঋণ ডুবছে এবং বিদ্যুতের হার বাড়াচ্ছে। তার সরকার প্যানেলকে সারা প্রদেশ সফর এবং বাসিন্দাদের মন্তব্য সংগ্রহের দায়িত্ব দিয়েছে। তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে পরিষেবাটি যাতে নির্ভরযোগ্য হয়, হার কম থাকে এবং পরিষেবাটি পরিচ্ছন্ন জ¦ালানির দিকে যেতে পারে সেটা নিশ্চিতে সমাধান খুঁজে বের করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্যানেলকে।

