
১০০ বছরের বেশি সময় ধরে মন্ট্রিয়লের ভিলরে বোরোর ডি ক্যাসেলনাই যাচক পর্ষদ ছিল ক্যাথলিকদের আবাস। সেখানে তারা বসবাস ও প্রার্থনা করতেন। এখন এটি বিড়ালদের দখলে যাচ্ছে। লা মিউসির দেওয়ালের পেইন্টিং, ঐতিহাসিক ছবি, বুক কাভার এবং খেলনা প্রাণির জ¦লজ¦লে চোখগুলো যেনো দর্শনার্থীদের দিকে তাকিয়ে আছে। এগুলোই লো মিউসিকে মন্ট্রিয়ল ও কানাডার প্রধ বিড়াল জাদুঘর হিসেবে ঘোষণা করছে।
জাদুঘরের নির্বাহী পরিচালক আকিলা নাহানি বিড়াল অন্তপ্রাণ। উদ্ধার করা ১৫ বছর বয়সী বিড়ালের ট্যাটু তার বাহুতে আঁকা। এবং বিড়াল জাদুঘর চালু করার ওপর মনোযোগ বাড়াতে কর্পোরেট চাকরিটিও সম্প্রতি ছেড়ে দিয়েছেন।
তিনি উদ্বুদ্ধ হন বিড়াল নায়কদের লেখা বই পড়ে, যারা বিড়ালের জীবন বাঁচিয়েছিলেন এবং তৎক্ষণাৎ তার মধ্যে আরও বেশি জানার আগ্রহ তৈরি হয়।
এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বিড়াল জাদুঘর নিয়ে আমি গবেষণা শুরু করি এবং জানতে পারি যে, কানাডায় এ ধরনের জাদুঘর নেই। আমি আরও জানতে পারি যে, বহু বিড়াল জাদুঘর শিল্পকে গুরুত্ব দেয়, যা দারুণ এক ব্যাপার। আমি এমন একটি জায়গার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি, যেখানে বিড়াল সংস্কৃতির বিভিন্ন দিকে সম্মিলন ঘটবে। এর মধ্যে ইতিহাস ও বিজ্ঞান যেমন থাকবে একইভাবে থাকবে শিল্পও।
১২ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পপ-আপ প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে জাদুঘরের সীমিত পরিসরে উদ্বোধন হয়েছে।

