
সময় এসেছে কানাডার অর্থনীতিকে পুনরুদ্ভাবনের। যেমনটা তারা করেছিল ১৯৪৫ সালে। অর্থমন্ত্রী ফ্রাসোয়াঁ-ফিলিপ শ্যাম্পেইন বৃহস্পতিবার এই মন্তব্য করেন।
যুদ্ধ পরবর্তী কানাডায় শিল্প ও নির্মাণ উল্লম্ফনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শ্যাম্পেইন বলেন, প্রায় সময়ই আমি ২০২৫ ও ১৯৪৫ এর মধ্যে একটি মিলের কথা বলে থাকি। ১৯৪৫ সালে কানাডা নিজেকে পুনরাবিস্কার করেছিল এবং আমি মনে করি সেই সময়টা আবার ফিরে এসেছে। এটা এমন এক সময় যখন আমাদের কানাডিয়ান অর্থনীতিকে পুনরাবিস্কার করতে হবে।
এই তাগিদ আসছে, কারণ কানাডাকে এ বছরের গোড়ার দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুরু করা বাণিজ্য যুদ্ধের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কানাডা এবং একাধিক সুনির্দিষ্ট খাতের ওপর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শুল্ক আরোপ করেছেন।
এর প্রতিক্রিয়ায় মার্ক কার্নি নির্বাচনী প্রচারে কানাডিয়ানদের সাহস না হারানোর আহ্বান জানান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মিত্রতার বাইরে গিয়ে কানাডিয়ান অর্থনীতিকে নতুন দিশা দেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।
তিনি বলেন, আমরা আগেও এমনটা করেছি। ১৯৪৫ এর দিকে তাকান। কানাডা পুরেপাপুরি মহান এই শিল্পোন্নত দেশের দিকে যাত্রা করে। আমার তাকে ভিত্তি ধরে গড়তে যাচ্ছি। আমরা এআইয়ের মতো নতুন প্রযুক্তির দিকে তাকাতে যাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, যদিও কানাডার সরকারি খাতে কর্মী সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। কারণ, সরকার খরচে লাগাম টানছে।
ব্যয় সীমিত রাখার ব্যাপারে সরকারের যে উদ্যোগ তার ফলে সরকারি খাতে চাকরিচ্যুতির ঘটনা ঘটবে কিনা? এই প্রশ্নের উত্তরে শ্যাম্পেইন বলেন, ভিন্ন ভিন্ন স্থানে সমন্বয় করা হবে। কোভিড-১৯ মহামারির সময় অর্থাৎ গত কয়েক বছরে বিপুল সংখ্যক জনবল আমরা নিয়োগ দিয়েছি।

