
এয়ার কানাডা এবং এর ১০ হাজার ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টের প্রতিনিধিত্বকারী ইউনিয়নের মধ্যে সৃষ্ট শ্রম অসন্তোষ নিরসনে হস্তক্ষেপ করছে ফেডারেল সরকার। ধর্মঘটের প্রথম দিনই বিরোধ নিরসনে উদ্যোগ নেয় সরকার।
কর্মসংস্থানমন্ত্রী প্যাটি হাইডু এক ঘোষণায় বলেছেন, কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কিন্তু কখন তা শুরু হবে তা স্পষ্ট নয়।
এয়ার কানাডা বলেছে, কবে নাগাদ তাদের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে তা নিশ্চিত নয়। এবং শত শত উড়োজাহাজ গ্রাউন্ডেড অবস্থায় থাকায় বিপাকে পড়েছেন এর হাজার হাজার যাত্রী।
প্যাটি হাইডু এক বিবৃতিতে বলেছেন, আট মাস ধরে পক্ষগুলোর মধ্যে দর-কষাকষি, গত রাতে উভয় পক্ষের বৈঠক এবং চুক্তিতে উপনীত হতে তাদেরকে কঠোর পরিশ্রম করার আহ্বান জানানোর পরও এয়ার কানাডা এবং সিইউপিইর মধ্যে অচলাবস্থার অবসান হয়নি, যা হহাশাজনক। সরকার দৃঢ়ভাবে বিশি^াস করে যে, আলোচনার টেবিলেই কেবল পক্ষগুলো চুক্তিকে উপনীত হতে পারবে। কিন্তু এখন এটা স্পষ্ট যে, এই বিবাদ আলোচনার টেবিলে মীমাংসা হচ্ছে না। কানাডিয়ানরা কঠিন পরিস্থিতির মধে পড়েছেন এবং এই ধর্মঘট কানাডিয়ান অর্থনীতিকে দ্রুত ক্সতিগ্রস্ত করছে।
মন্ত্রী বলেন, পরিবার, কর্মী, কমিউনিটিগুলো ও বিশে^র সঙ্গে যোগাযোগের জন্য কানাডিয়ানরা আকাশ ভ্রমণের ওপর নির্ভর করে। সরকারের তরফ থেকে লক্ষণীয় সহায়তা দেওয়ার পরও এই পক্ষগুলো তাদের মধ্যে সৃষ্ট মতভেদগুলো সময়মতো নিরসনে ব্যর্থ হয়েছে। এই কারণেই মন্ত্রী হিসেবে কানাডা লেবার কোডের ১০৭ অনুচ্ছেদ বিরোধ নিরসনে কানাডা ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশন্স বোর্ডকে নির্দেশনা দেওয়ার যে ক্ষমতা আমাকে দিয়েছে তা আমি প্রয়োগ করেছি। এই ক্ষমতা আমি প্রয়োগ করছি, কারণ শিল্পের শান্তি নিশ্চিত করা, কানাডিয়ানদের সুরক্ষা দেওয়া এবং বিরোধ নিরসনের পরিস্থিতি তৈরি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদিও পক্ষগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ছাড় দিতে নারাজ তারপরও সিআইআরবি এই সমস্যা সামাধান করে দেওয়ার মতো অবস্থানে রয়েছে।

