
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কুইবেকের যে সীমান্ত সেখান দিয়ে ৪৪ জন আশ্রয়প্রার্থীর কানাডায় প্রবেশ আটকে দিয়েছে কানাডা। আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে কয়েকজনকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত পাঠানোর কথাও নিশ্চিত করেছেন কানাডিয়ান কর্মকর্তারা। তবে সংখ্যাটি কত তা জানাননি তারা।
গত সপ্তাহে রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (আরসিএমপি) কুইবেকের স্ট্যানস্টেডের কাছে একটি কুইব ট্রাক থামিয়ে তাতে ৪৪ জন বিদেশি নাগরিককে দেখতে পান। দুর্বিসহ পরিস্থিতিতে সেখানে গাদাগাদি করে ছিল তারা।
সার্জেন্ট চার্লস পয়রিয়ের বলেন, অভিবাসীদের বেশিরভাগই হাইতির নাগরিক। তাদের মধ্যে একজন গর্ভবতী নারী এবং চার বছর বয়সী কয়েকটি শিশুও ছিলেন। পুলিশ যখন তাদের খোঁজ পায় তখন তারা পানিশূন্যতায় ভুগছিলেন।
দি কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি (সিবিএসএ) নিশ্চিত করেছে যে, সব অভিবাসীই কানাডায় আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন এবং তাদের আবেদন নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে।
সংস্থাটির মুখপাত্র জ্যাকুলিন রবি বলেন, সবার আবেদনই যাচাই-বাচাই করা হয়েছে এবং যারা অযোগ্য বিবেচিত হয়েছেন তাদের সবাইকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে ঠিক কতজনকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত পাঠানো হয়েছে তা জানাতে অস্বীকৃতি জানান রবি।
এদিকে আরসিএমপি সন্দেহভাজন তিনজন মানবপাচারকারীর বিরুদ্ধে এ ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করেছে। ২৫ বছর বয়সী ওগুলকান মারসিন এবং ৩১ বছর বয়সী ডোগান আলাকাস ও ফিরাত ইউকসেকের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড রিফিউজি প্রোটেকশন অ্যাক্টের অধীনে অপরাধ সংঘটের অভিযোগ আনা হয়েছে। নির্ধারিত কাস্টমস অফিসের বাইরে কানাডায় মানুষ প্রবেশে সহযোগিতা করার মধ্য দিয়ে এই অপরাধ করেছেন তারা।

