
১ আগস্ট থেকে কানাডার ওপর ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার তিনি এই ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে লেখা এক খোলা চিঠিতে ট্রাম্প বলেছেন, কোনো কারণে যদি আপনার শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন তাহলে যে পরিমাণ বাড়াবেন সমপরিমাণ শুল্ক এই ৩৫ শতাংশের সঙ্গে যোগ হবে।
ট্রাম্প দাবি করেন যে, কানাডার ওই এই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে মূলত যুক্তরাষ্ট্রের ফেন্টানাইল সংকটের কারণে। আমাদের দেশে মাদক প্রবেশ থামাতে কানাডার ব্যর্থতা এর জন্য অংশত দায়ী। ফেন্টানাইলের প্রবাহ বন্ধে কানাডা যদি আমার সঙ্গে কাজ করে তাহলে সম্ভবত এই শুল্ক সামঞ্জস্যপূর্ণ করব। এই শুল্ক বাড়তে পারে আবার কমতেও পারে। সেটা নির্ভর করছে আপনার দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের ওপর।
বৃহস্পতিবার রাতে কার্নি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে লেখেন, সংশোধিত সময়সীমা ১ আগস্টের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি নতুন চুক্তিতে উপনীত হওয়ার জন্য কানাডা কাজ করবে। গত জুনে অনুষ্ঠিত জি৭ নেতাদের সম্মেলনের সময় এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২১ জুলাই।
কার্নি তার পোস্টে লেখেন, উত্তর আমেরিকায় ফেন্টানাইলের প্রবাহ বন্ধে কানাডা গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য পেয়েছে। জীবন রক্ষা এবং উভয় দেশে আমাদের কমিউনিটিগুলো রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ অব্যাহত রাখতে চায় আমরা।
কানাডার বিরুদ্ধে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করার ন্যায্যতা হিসেবে একাধিকবার ফেন্টানাইলের কথা উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। যদিও, ১ জুলাই ম্যানহাটন ইনস্টিটিউটের এক গবেষণায় উঠে এসেছে, কানাডায় মাদকের বড় ধরনের চালান ধরা পড়ার ঘটনা তুলনামূলক বিরল। যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা ফেন্টানাইল পিল এবং ক্যাপসুল অথবা ট্যাবলেটের মাত্র ১ শতাংশের উৎস কানাডা।

