
ইরানের কাছ থেকে প্রতিশোধমূলক হামলার মুখে থাকায় ইসরায়েলে প্রত্যাবাসন স্থগিত করেছে কানাডা। কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি (সিবিএসএ) বিষয়টির ব্যাখ্যা করে বলেছে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে ইসরায়েলে অস্থিতিশীল ও অনিশ্চিত পরিস্থিতির কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
অস্থায়ী এই স্থগিত আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ডেফারেল অব রিমুভালস (এডিআর) নামে পরিচিত। সিবিএসএর তথ্য অনুযায়ী, পরিবেশগত বিপর্যয় অথবা সহিংসতার কারণে যেসব দেশের পরিস্থিতি অনিরাপদ প্রতীয়মান হয় সেসব দেশে সাময়িকভাবে এই ব্যবস্থা বলবৎ করা হয়।
বর্তমানে এ ধরনের ১৬টি ডেফারেল রয়েছে। এর মধ্যে এটি রয়েছে ইরানের ক্ষেত্রে, ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে যা কার্যকর। অন্য যেসব দেশ ও অঞ্চল এই ডেফারেলের আওতায় রয়েছে সেগুলো হলো ইউক্রেন, সিরিয়া, মালি, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, দক্ষিণ সুদান, লিবিয়া, ইয়েমেন, বুরুন্ডি, ভেনেজুয়েলা, হাইতি, সুদান, লেবানন, গাজা ভূখ- এবং মিডল শাবেলা, আফগোয়ি ও মোগাদিসুর মতো সোমালিয়ার কিছু অংশ।
১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে অকস্মাৎ হামলা চালানোর পর দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চলছে।
সিবিএসএ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ইসরায়েল স্থিতিশীলত ফিরলে এবং পুরো পরিস্থিতি আর বেসামরিক ব্যক্তিদের জন্য অনিরাপদ নয় মনে হলে এডিআর তুলে নেওয়া হবে এবং সিবিএসএ সেইসব ব্যক্তিকে ফেরত পাঠানো শুরু করবে, যারা কানাডায় প্রবেশের যোগ্য নন।
তিন ধরনের অপসরারণ বিদ্যমান আছে। এগুলো হলো ডিপারচার আদেশ, এক্সক্লুশন আদেশ এবং প্রত্যাবাসন আদেশ। এগুলোর যেকোনো একটি আদেশ কাউকে দেওয়া হলে তিনি কানাডার অবস্থানের যোগ্যতা হারাবেন। তবে এই আদেশের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। আইনি উপায় বন্ধ হয়ে গেলে আপনাকে দেশ ছাড়তে হবে অথবা আপনাকে বের করে দেওয়া হবে।

