
নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে ট্রান্সআটলান্টিক সহযোগিতায় নতুন যুগের সূচনা করেছে কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত যৌথ সম্মেলনে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এই চুক্তির আওতায় কানাডা এবং ইউরোপ প্রতিরক্ষার ব্যাপারে অঙ্গীকারাবদ্ধ। সেই সঙ্গে রিআর্ম ইউরোপ নামে মহাদেশটির বিপুল পরিমাণ নতুন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় কর্মসূচিতে কানাডার অংশগ্রহণের একটি পদক্ষেপ এটি।
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কানাডা বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নির্ভরশীলতা কমানোর কথা চিন্তা করায় প্রদানমন্ত্রী মার্ক কার্নি প্রতিরক্ষা ক্রয়ের জন্য আরও বিকল্পের খোঁজে রয়েছেন। ইইউ-কানাডা সম্মেলনের জন্য সম্প্রতি তিনি ব্রাসেলস সফর করেন।
সম্মেলনের পর এক সংবাদ সম্মেলনে কার্নি বলেন, সমমনা ও নির্ভরযোগ্য অংশীদারদের সঙ্গে আমরা বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে তুলছি। ন্যাটো মিত্ররা একটি আলায়েড শিল্প নীতি চাইছে, যা আমাদের আরও শক্তিশালী করবে। এটাই বাণিজ্যের ভবিষ্যৎ। শুল্ক নিয়ে সংকীর্ণ আলোচনা নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনার ব্যাপারে কার্নি বলেন, ৩০ দিনের দর-কষাকষির যে সুযোগ তাতে সঠিক চুক্তির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।
জি৭ সম্মেলনের পরও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুল্কের প্রতি অনুরাগের কথা ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তিনি এটাও স্বীকার করেন যে, বাণিজ্য নিয়ে কার্নির আলাদা ধারণা আছে।
ওয়াশিংটন ডিসির চেয়ে ব্রাসেলসে তিনি বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করছেন কিনা? সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে এই প্রশ্ন করা হলে কার্নি তা এড়িয়ে যান। প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটনে এই মুহূর্তে গরম আবহাওয়া নিয়ে কথা বলেন এবং কৌতুক করে বলেন, তিনি নিশ্চিত ব্রাসেলসের নৈশভোজটি অনেক ভালো হবে।
চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার আগে কার্নি ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অ্যান্টনিও কস্টা এবং ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুল ভন ডার লিয়েনের সঙ্গে বৈঠক করেন।

