
এ বছর কয়েকশতবার ভাঙা হয়েছে টরন্টোর স্পিড ক্যামেরাগুলো। এই অবস্থায় সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিরা আশঙ্কা প্রকার করেছেন এবং অটোমেটেড এনফোর্সমেন্টের ওপর নির্ভর করার বদলে সড়কের নকশা পরিবর্তনে সিটি কর্মকর্তাদের প্রতি আর্জি জানাচ্ছেন।
ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলিজ ফর সেফ স্ট্রিটসের জেস স্পাইকার বলেন, যেভাবে আমাদের সড়ক নিরাপদ করা যায় সেটা হচ্ছে এর নকশা পরিবর্তন করা। নকশাগতভাবে নিরাপদ সড়ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে রাজনীতিকদের মধ্যে দশকের পর দশক অনীহা দেখা যাচ্ছে। এ কারণেই আমরা আঁতকে ওঠার মতো সংখ্যায় সড়ক সহিংসতা দেখতে পাচ্ছি।
টরন্টোতে বর্তমানে কার্যকর অটোমেটেড স্পিড ক্যামেরা রয়েছে ১৫০টি। এ বছরের গোড়ার দিকে সিটি কর্র্তৃপক্ষ স্পিড ক্যামেরার সংখ্যা দ্বিগুণ করার উদ্যোগ নেওয়ার পর সংখ্যাটি ১৫০টিতে দাঁড়িয়েছে। স্পিড ক্যামেরার কারণেই কেবল গত বছর ৪ কোটি ডলার জরিমানা করা হয়েছে। কিন্তু সেগেুলোকে নিয়মিতভাবে ভাঙার লক্ষ্যে পরিণত হতে হচ্ছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কয়েক সপতাহ পর্যন্ত এর কার্যকারিতা বন্ধ থাকছে।
গত সপ্তাহে সিটি কর্তৃপক্ষ বলেছে, কেবলমাত্রা ২০২৫ সালেই অটোমেটেড স্পিড এনফোর্সমেন্ট (এএসই) ক্যামেরাগুলোকে লক্ষ্য করে ৩২৫টি ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। পার্কসাইড ড্রাইভের একটি ক্যামেরা গত ছয় মাসে পাঁচবার ভাংচুরের শিকার হয়েছে।
ভয়াবহ দুর্ঘটনা থৈকে জীবন ফিরে পাওয়া স্পাইকারের মতো অ্যাডভোকেটরা সিটিভি নিউজ টরন্টোকে বলেছেন, সরু লেন, বাইক অবকাঠামো এবং সড়কের পূর্ণাঙ্গ পুনর্নকশার মতো ভৌত পরিবর্তন সর্বোত্তম বিকল্প হতে পারে। বিশেষ করে পার্কসাইড ড্রাইভের মতো সমস্যাপূর্ণ এলাকায় চলমান ভাংচুরের পরিপ্রেক্ষিতে। স্পিড ক্যামেরায় কাজ হচ্ছে। তবে সেটা দূরবর্তী।
স্পাইকার নিউ ইয়র্ক সিটির উদাহরণ তুলে ধরেন এক্ষেত্রে। সেখানে নগরজুড়ে দুই হাজারের বেশি স্পিড ক্যামেরা রয়েছে। স্পাইকার বলেন, কিন্তু সত্যিকারের সাফল্য আসে নিরবচ্ছিন্ন সড়ক নকশা থেকে, যা মাত্রাতিরিক্ত গতি কঠিন করে তোলে।

