
একটি ল্যান্ডফিলে মরদেহের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে হ্যামিল্টন পুলিশ। ওই ল্যান্ডফিলে কয়েক মাস ধরে শৈলিনী সিংয়ের মরদেহের তালাশ করছিলেন তদন্তকারীরা। গত ডিসেম্বরে ৪০ বছর বয়সী শৈলিনী নিখোঁজ হন বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, তিন মাস ধরে হ্যামিল্টনের হাল্ডিব্রুক রোডে অবস্থিত গ্ল্যানব্রুক ল্যান্ডফিলের কয়েক হাজার ঘনমিটার বর্জ্য খুড়ে দেহাবশেষের সন্ধান পেয়েছে তারা।
তদন্তকারীরা বলছেন, এই দেহাবশেষ শৈলিনী সিংয়ের কিনা তা নির্ধারণে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে। সর্বশেষ তার কথা শোনা গিয়েছিল ৪ ডিসেম্বর রাত ৭টা ১০ মিনিটের দিকে।
ডিটেক্টিভ সার্জেন্ট ড্যারিল রিড বৃহস্পতিবার বলেন, দেহাবশেষগুলো পরীক্ষায় আমরা এখন অফিস অব দ্য করোনার, অন্টারিও ফরেন্সিক প্যাথোলজি সার্ভিস এবং সেন্টার ফর ফরেন্সিক সায়েন্সেসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। খুঁজে পাওয়া দেহাবশেষের পরিচয় জানতে আমরা এখন ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছি।
বেশ কিছুদিন খোঁজ না পাওয়ার পর ১০ ডিসেম্বর শৈলিনী সিংহের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি পুলিশকে জানান তার পরিবারের সদস্যরা। রিড বলেন, বিভিন্ন ধরনের প্রমাণাদি এবং তার কল্যাণের কথা ভেবে ১২ ডিসেম্বর মামলাটি হোমিসাইড ইউনিটের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শৈলিনী সিং যে অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে থাকতেন সেখানে ব্যাপক পরিসরে ভিডিও সার্ভিল্যান্স সিস্টেম রয়েছে এবং পুলিশ কয়েক শ ঘণ্টা ভিডিও ফুটে পর্যালোচনা করেছে। আমরা শৈলিনী সিংকে তার ইউনিটে ফেরার ভিডিও দেখেছি। তবে ভবন ছাড়া কোনো ফুটেজ দেখিনি।
তদন্তের এই পর্যায়ে আমাদের মধ্যে এই ধারণা তৈরি হয়েছে যে, শৈলিনীকে হয়তো হত্যার পর বর্জ্য অপসারণ করা হয় যে পদ্ধতিতে সেভাবেই মরদেহ ভবনের বাইরে নেওয়া হয়েছে।

