
সেইন্ট পিটার’স স্কয়ারে রোববার বিকালে অভিষেকের পর প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ভ্যাটিক্যানে পোপ লিও চতুর্দশের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সাক্ষাৎ করেন। অভিষেক অনুষ্ঠানে স্ত্রীকে নিয়ে দ্বিতীয় সারিতে বসেছিলেন কার্নি। অভিষেক অনুষ্ঠানে অন্য বিশ্বনেতারা ও সরকারপ্রধানরাও অংশ নেন।
প্রধানমন্ত্রী কার্নি একজন ধর্মপ্রাণ ক্যাথোলিক এবং ইউক্রাইস্টের শুভাশিসের সময় যে কয়েকজন বিশ্বনেতা হাঁটু গেড়ে বসেছিলেন তিনি তাদের অন্যতম। অনুষ্ঠানটিকে স্মরণীয় করে রাখতে দুটি স্থানে নিজের ফোন দিয়ে পোপের সঙ্গে তাকে ছবি তুলতেও দেখা যায়। অনুষ্ঠান শুরু ও শেষ হওয়ার পর ছবিগুলো তোলেন তিনি।
অনুষ্ঠানশেষে তিনি পোপের সঙ্গে সেইন্ট পিটার’স ব্যাসিলিকায় সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ করেন। তার স্ত্রী ও কন্যা ক্লিও এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন। একই সময়েকার্নি অন্য বিশ^নেতাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। অস্ট্রেলিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ সময় কথা বলেন তিনি। কথা বলেন ইসরায়েল ও নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও।
রোববার সকালের দিকে কার্নি জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিক মার্জের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। ইতালি, ইউক্রেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গেও শনিবার তিনি একই ধরনের বৈঠক করেন।
১৩ জন কানাডিয়ান এমপিও অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তাদের মধ্যে ছিলেন জাইম বাতিস্তে। নোভা স্কশিয়ার এই এমপি বলেন, পোপের নেতৃত্ব দেওয়ার সুরটা কেমন হয় সেটা শোনার অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। কানাডার অফিসিয়াল রেসিডেন্সের বাইরে সাংবাদিকদের বাতিস্তে বলেন, এটা অনেকটা সংসদ সদস্য হিসেবে থ্রন থেকে আমাদের বক্তৃতা দেওয়ার মতোই।
প্রথম আমেরিকান হিসেবে পোপ লিও ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই সময়েও আমরা প্রচুর বিভেদ দেখতে পাচ্ছি। অনেক যুদ্ধের কারণ বিদ্বেষ, সহিংসতা, পক্ষপাত, ভিন্নতার ভয় এবং পৃথিবীর সম্পদ শোসনের অর্থনীতি।

