Latest Posts

যুক্তরাষ্ট্রের সমহারে শুল্ক আরোপ করছে কানাডা

- Advertisement -
গাড়ির ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কের সমহারে পাল্টা শুল্ক আরোপ করছে কানাডা

গাড়ির ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কের সমহারে পাল্টা শুল্ক আরোপ করছে কানাডা। একইসঙ্গে গাড়ি উৎপাদকদের অবস্থা যাতে একইরকম থাকে সেজন্য প্রণোদনা দেওয়ার পাশাপাশি এ খাতের কর্মীদের জন্য আরও সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বৃহস্পতিবার এমনটাই জানিয়েছেন।

কার্নি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের সঙ্গে সামঞ্জস্য আনতে সিইউএমএমএ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আওতার বাইরে দেশটি থেকে আমদানিকৃত এমন সব ধরনের গাড়ির ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক্ আরোপ করা হবে। পাশপাশি যুক্তরাষ্ট্র থেকে সিইউএসএমও কমপ্লায়েন্ট নন-কানাডিয়ান কনটেন্টের ওপরও একই হারে শুল্ক প্রযোজ্য হবে।

- Advertisement -

তিনি বলেন, আমাদেরকে অবশ্যই প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে যৌক্তিক এবং সক্রিয়তার সঙ্গে। আমরা একটি মুক্ত, সার্বভৌম এবং উচচ্চাকাক্সক্ষী দেশ। নিজেদের দেশের প্রভু আমরাই।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কার্নি তার ভূমিকা নিয়ে কথা বলছিলেন। একইসঙ্গে লিবারেল নেতা হিসেবে নির্বাচনী প্রচারও চালাচ্ছিলেন। তিনি বলেন, কানাডার পাল্টা শুল্ক থেকে গাড়ি নির্মাতাদের স্বস্তি দিতে কানাডা একটি কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করছে। যতক্ষণ পর্যন্ত তারা কানাডায় তাদের উৎপাদন ও বিনিয়োগ অব্যাহত রাখবে।

তার প্রাক্কলন অনুযায়ী, পাল্টা শুল্ক থেকে প্রায় ৮০০ কোটি ডলার উঠবে। গাড়ি শিল্পের যেসব কর্মী চাকরি হারাবেন এবং যেসব কোম্পানি লোকসানে পড়বে তাদের কাছে যাবে এই অর্থ। এই অর্থ হবে নির্বাচিত হলে তিনি যে ২০০ কোটি ডলারের ত্রাণ তহবিলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তার অতিরিক্ত।

কার্নি বলেন, ১৯৬৫ সালের অটো চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র যে অভিন্ন অটো খাত গড়ে তৈরি হয়েছে ট্রাম্পের ঘোষণায় তা বিঘিœত হয়েছে। যে বছর আমি জন্মগ্রহণ করি সেই বছরই কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র অটো চুক্তি স্বাক্ষর করে। এই চুক্তির ফলে আমাদের দেশগুলোর মধ্যে গাড়ি শুল্কের অবসান ঘটে এবং ৬০ বছরের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা, অংশীদারিত্ব, কর্মসংস্থান প্রবৃদ্ধি এবং সমৃদ্ধির সূত্রপাত হয়। কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র একটি নতুন সামগ্রীক পদ্ধতির ব্যাপারে সম্মত না হলে সেই যুগের অবসান ঘটবে।

তিনি বলেন, ২৮ এপ্রিল ফেডারেল নির্বাচনের পর যে-ই কানাডার প্রধানমন্ত্রী হন না কেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার নতুন অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সম্পর্কের বিস্তারিত তুলে ধরতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করবেন। গত সপ্তাহে আমি এবং প্রেসিডেন্ট সম্মত হয়েছি যে, ফেডারেল নির্বাচনের পরপরই নতুন অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্বের অভিন্ন জায়গা খুঁজতে তিনি ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী বসবেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের পুরোনো গভীর সম্পর্কের দিন শেষ হয়েছে। যদিও এখনো যুক্তরাষ্ট্র আমাদের সত্যিকারের মিত্র।

- Advertisement -

Latest Posts

Don't Miss

Stay in touch

To be updated with all the latest news, offers and special announcements.