
শরনার্থী হিসেবে আশ্রয় প্রার্থনার জন্য কানাডায় বিমানবন্দরগুলোতে অবতরণকারী মেক্সিকানদের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে। অভিবাসনমন্ত্রী মার্ক মিলার ১৬ জানুয়ারি সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত হলনাগাদ প্রতিবেদনে বলেন, মেক্সিকান এয়ারলান যাত্রীদের শরনার্থী আবেদনের জন্য পুনর্ভিসা চালু করা ৯৭ শতাংশ কমেছে।
সাংবাদিকদের মিলার বলেন, শরনার্থী ব্যবস্থায় জালিয়াতির প্রেক্ষিতে ভিসা প্রত্যাখ্যান বেড়ে যাওয়ায়, আবেদন প্রত্যাহার বা বাতিল হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে মেক্সিকান নাগরিকদের জন্য আমরা ভিসা শর্ত চালু করেছি। এরপর থেকে আমাদের বিমানবন্দরগুলোতে শরনার্থীর আবেদন করা মেক্সিকান নাগরিকের সংখ্যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৯৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
মেক্সিকান নাগরিকদের ভিসার শর্ত চালু করা হয় ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে। ইমিগ্রেশন কানাডার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কানাডা থেকে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী মেক্সিকানদের সংখ্যাও ২০২৩ সালের তুলনায় ৭২ শতাংশ কমেছে।
মেক্সিকান কর্মকর্তাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ফেডারেল সরকার ২০১৬ সালে ভিসার শর্ত তুলে নেয়। অভিবাসন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে মেক্সিনাদের শরনার্থী প্রার্থনা হঠাৎ বেড়ে যায়। ২০২৩ সালে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ২৩ হাজার ৯৯৫টি। ভিসা নিয়ম প্রত্যাহারের আগে এ সংখ্যা ছিল যেখানে বছরে বড়জোর ১২০টি।
অভিবাসন বিভাগের ২০২৪ সালের মার্চের এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ভিসা শর্ত চালু করার পর ভুয়া আবেদন প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে করদাতাদের বছরে সাশ্রয় হয়েছে ৬৬ কোটি ডলার।
অভিবাসন কর্মকর্তারা বলেন, শরনার্থী আবেদনগুলোর মধ্যে খুব কমই বৈধ। এক বিবৃতিতে বিভাগটি বলেছে, আধিকাংশ মেক্সিকান আবেদনটি করে বিমানবন্দরে অবতরণের পর। তাদের ভ্রমণের উদ্দেশ্য যে বেড়ানো নয়, আশ্রয় প্রার্থনা করা এটা তারই ইঙ্গিত। মেক্সিকানদের সিংহভাগ আবেদনই বাতিল হয়ে যায়, প্রত্যাহার করা হয় অথবা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড রিফিউজি বোর্ড বাতিল করে দেয়।

