
এক গ্লাস অন্টারিও ভিনোতে চুমুক দেওয়ার মতো ভালো সময় এর আগে আর আসেনি। সেই সঙ্গে প্রদেশের ওয়াইন শিল্পের পাশে দাঁড়ানোর ভালো সময়ও এর আগে দেখা যায়নি।
অন্টারিও তার পুরস্কারজয়ী ওয়াইন ও আইসওয়াইনের জন্য বিখ্যাত। এগুলো আসে নায়াগ্রা এলাকা, প্রিন্স এডওয়ার্ড কাউন্টি, লেক এরির নর্থ শোর এবং প্রদেশের অন্যান্য উদীয়মান অঞ্চল থেকে।
কিন্তু গত মাসে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কানাডিয়ান পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি সীমান্তের উত্তরে ক্ষোভ ও ক্রোধের জন্ম দিয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় ব্রিউয়িং যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু কানাডিয়ান ভোক্তাদের মধ্যে ‘বাই লোকাল’ আন্দোলনও ছড়িয়ে পড়েছে। কানাডায় তৈরি পণ্যের প্রতি সমর্থনও বেড়েছে।
১৩তম স্ট্রিট ওয়াইনারি ও সেন্ট ক্যাথারিন্সের হুইটি ফার্মসের প্রেসিডেন্ট ডগ হুইটি বলেন, আমাদের নিজেদের ও দেশের পক্ষে দাঁড়ানোর একটি পন্থা হতে পারে আমাদের প্রতিবেশীদের, আমাদের দেশ থেকে কেনা। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কানাডাজুড়ে আমাদের দারুণ সব পণ্য ও সেবা আছে, যা আমরা কানাডিয়ানদের উপভোগের জন্য তৈরি ও সরবরাহ করে থাকি। সুতরাং, আমাদের প্রত্যাশা এই সম্ভাবনা আমাদের জনগণের মন ও হৃদয়ে জাগ্রত থাকবে। অস্তিত্ব সংকটের মুখে আমাদেরকে একে অপরের সহযোগিতায় এগিয়ে আসতে হবে।
এটি যে শতভাগ অন্টারিও পণ্য তা নিশ্চিত করতে প্রদেশে বোতলের লেবেলে একটি ভিকিউএ (ভিন্টনারস কোয়ালিটি অ্যালায়েন্স) চিহ্ন যুক্ত করা হয়। উৎপন্ন ওয়াইন যে নির্ধারিত গুনগত ম নের শর্ত পূরণ করেছে সেটার সনদ এটি।
অন্টারিও ক্র্যাফট ওয়াইনারিজের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মিশেল ওয়াসিলিশেনের প্রত্যাশা, কানাডিয়ানদের ওপর আক্রমণ ভোক্তাদের মনে সবসময়ই থেকে যাবে এবং লোকজনের অভ্যাসে বদল আসবে। এ ধরনের সুযোগ জীবনে একবরাই আসে এবং আমাদের জীবনেও এসেছে। লোকজন যেভাবে শুনছে, আগে কখনো শোনেনি এবং আমি মনে করি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে যে ভরসা করা যায় না তা নিয়ে জনগণ ক্ষুব্ধ। সুতরাং, আশা করি এই ক্রোধ দূর হবে না।
উল্লেখ্য, এলসিবিও স্টোরগুলোতে আমেরিকান ওয়াইনের বাজার হিস্যা প্রায় ২০ শতাংশ। বিকিউএ ওয়াইন প্রায় ৬ শতাংশ।

