
মহামারির পর কানাডায় প্রথমবারের মতো বার্ষিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস পেয়েছে। যদিও ২০৩০ সালের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্য থেকে তারা এখনো অনেক পিছিয়ে আছে।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ফেডারেল সরকারের প্রাথমিক এমিশন প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ২০২২ সালের তুলনায় ৬০ লাখ টন হ্রাস পেয়েছে, যা এক বছরে ১৪ লাখ যাত্রীবাহী যানবাহনের নিঃসরণ করা কার্বনের সমপরিমাণ।
প্যারিস জলবায়ু চুক্তির আওতায় কানাডা ২০৩০ সাল নাগাদ কার্বন নিঃসরণ ২০১৫ সালে যা ছিল তার তুলনায় ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ কমিয়ে আনার অঙ্গীকার করেছে। সর্বশেষ উপাত্ত বলছে, ২০২৩ সালে কার্বন নিঃসরণ কমেছে সাড়ে ৮ শতাংশ।
সরকার এ বছর আগেভাগেই প্রতিবেদনের সারাংস প্রকাশ করল, যা সচরাচর হয় না। জলবায়ু রেকর্ড নিয়ে সমালোচনা বাড়তে থাকার মধ্যে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করল তারা।
আই প্রতিবেদন দেশটির বার্ষিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের সংক্ষিপ্তসার, যা কানাডা সাধারণত এপ্রিলে প্রকাশ করে। ওই সময় তারা এই প্রতিবেদন জাতিসংঘে দাখিল করে।
পরিবেশমন্ত্রী স্টিভেন গাইলবোল্ট বলেন, সরকারের পরিকল্পনা যে কাজে আসছে প্রতিবেদনে সেটাই নিশ্চিত হয়েছে। দেশের প্রতিটি অঞ্চলের কানাডিয়ানদের কাজের কারণে ২৭ বছরের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ সর্বোচ্চ কমাতে সাফল্য পেয়েছি আমরা। একইসঙ্গে আমাদের অর্থনীতিও বাড়ছে। শিল্পকে সহায়তা করেই আমরা সেটা করছি। শিল্প খাত কানাডিয়ানদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমে ৬৯ কোটি ৪০ লাখ টন কার্বন ডাই-অক্সাইডের সমপরিমাণে দাঁড়িয়েছে। ২০২১ সালেও একই পরিমাণে ছিল, যে সময় দেশের অধিকাংশ অংশ কোভিড-১৯ সংক্রান্ত বিধিনিষেধের আওতায় ছিল।

