
স্বার্থের সংঘাত আইন লঙ্ঘনের দায়ে সাস্কেচুয়ানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেরেমি ককরিলকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি তুলেছে প্রদেশটির বিরোধীদল এনডিপি। তার পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি কোম্পানি তিন বছর আগে প্রদেশের সঙ্গে ব্যবসা করার মাধ্যমে আইনটি লঙ্ঘন করেন তিনি।
এথিকস ক্রিটিক মিয়ারা কনওয়ে বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, বসন্তে আইনসভায় একটি প্রস্তাব উত্থাপনের পরিকল্পনা করছে নিউ ডেমোক্র্যাটরা। প্রস্তাবটি পাস হলে ককরিলকে ভর্ৎসনা করা হবে।
কনওয়ে বলেন, এই ভর্ৎসনা আসবে মন্ত্রীর আচরণ অননুমোদনযোগ্য দেখাতে নিন্দা জানানোর ঢংয়ে। এর প্রতীকী ভার আছে। তা হচ্ছে, তাদের সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের একজন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেরেমি ককরিল স্বার্থের সংঘাত আইন লঙ্ঘন করেছেন।
এই সপ্তাহে প্রকাশিত স্বার্থের সংঘাত কমিশান মরিস হেরুফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালে ককরিল ফরটিস উইন্ডোজ অ্যান্ড ডোরসের একজন কর্মী ছিলেন। সে কারণেই ওই বছর যখন কোম্পানিটি সরকারের কাছ থেকে প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার ডলারের কাজ পায় তখন কোম্পানিটিতে তার স্বার্থ ছিল।
কোম্পানিটির মালিক তার ইন-লজ এবং সাস্কাটুনের পশ্চিমে নর্থ ব্যাটেলফোর্ডে পাবলিক হাউজিং কর্তৃপক্ষের জন্য কাজ করে তারা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ককরিল ওই সময় কোম্পানির একজন কর্মী ছিলেন এবং এতে তার স্বার্থ আছে বলে কমিশনার মন্তব্য করার পর তিনি এ থেকে বোনাস গ্রহণ করেছেন।
এ বছরের গোড়ার দিকে এনডিপি বিষয়টি তদন্তের জন্য কমিশনারকে অনুরোধ জানানোর পর বিষয়টি সামনে আসে। কনওয়ে বলেন, ককরিল যখন এই মতামত জানতে পারেন তখন তার উচিত ছিল কোনো প্রশ্ন ছাড়াই ৯০ দিনের মধ্যে কোম্পানিটির সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিন্ন করার। কিন্তু তিনি তা করেননি।
কমিশনার ককরিলকে ভর্ৎসনার সুপারিশ করেছেন। তবে কঠোর কোনো শাস্তির প্রস্তাব করেননি। কারণ, কোম্পানিটিতে মন্ত্রীর স্বার্থের অবসান হয়েছে এবং তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে কাজটি করেননি।

