
ডোনাল্ড কানাডা থেকে আমদানিকৃত সব পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি বাস্তবে রূপ দিতে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করতে যখন এক সপ্তাহের কিছু বেশি সময় রয়েছে তখন রিপাবলিকান নেতা কীভাবে তার শুল্ক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবেন তা স্পষ্ট নয়।
অফিস অব দ্য ইউ.এস. ট্রেড রিপ্রেজেন্টিটিভের গ্রেটা পেইশ বলেন, আসন্ন প্রেসিডেন্ট এক্ষেত্রে ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক ইমার্জেন্সি পাওয়ারস অ্যাক্ট (আইইইপিএ) প্রয়োগ করতে পারেন। ট্রাম্প যখন শুল্ক কার্যক্রম এবং ফেন্টানাইল ও সীমান্ত নিরাপত্তার মধ্যে সম্পর্কের কথা বললেও তিনি কোন কর্তৃত্ব ব্যবহার করবেন তা ব্যাখ্যা করেননি। কিন্তু এটা আইইইপিএ সংশ্লিষ্ট বলেই মনে হতে পারে।
আইইপিএ নিরাপত্তা সংবিধিবদ্ধ, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে জরুরি অবস্থা ঘোষণার পর অর্থনৈতিক লেনদেন নিয়ন্ত্রণের কর্তৃত্ব দেয়। সাবেক প্রেসিডেন্ট নিক্সন প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে আমদানিকৃত সব পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের জন্য পূর্ববর্তী আইন ট্রেডিং উইথ দ্য এনিমি অ্যাক্ট প্রয়োগ করেছিলেন। শুল্কের জন্য কোনো প্রেসিডেন্টই আইইপিএ প্রয়োগ করেননি।
শুল্কের ক্ষেত্রে এটা নতুন হাতিয়ার হতে পারে বলে জানান পেইশ।
ট্রাম্প এর ক্ষমতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। তার প্রথম মেয়াদে মেক্সিকো সীমান্ত সমস্যা ও অবৈধ অভিবাসনের ব্যাপারে ব্যবস্থা না নিলে এটি ব্যবহার করে ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন। পেইশ বলেন, এই হুমকি কাজে দেওয়ায় এটি আর পাস হয়নি এবং শুল্কও আরোপ হয়নি।
এটাই একমাত্র হাতিয়ার নয়। ট্রাম্পের টিম ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের একটি অনুচ্ছেদের কথাও বিবেচনা করতে পারেন। ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম মেয়াদে চীনের ওপর শুল্ক আরোপে এটি ব্যবহার করা হয়েছিল। এ ছাড়া ১৯৬২ সালের ট্রেড এক্সপানশন অ্যাক্টেরও একটি অনুচ্ছেদ বিবেচনা করতে পারে ট্রাম্পের টিম, যা কানাডিয়ান ইস্পাত ও অ্যালমিনিয়ামের ওপর প্রয়োগ করা হয়েছিল।

