
পালাক্রমে ধর্মঘটে যাওয়া অন্টারিওর সরকারি প্রকৌশলীরা প্রদেশ তাদেরকে অবৈধভাবে আটকে রেখেছে বলে অভিযোগ করেছেন। সেই সঙ্গে তাদের ধর্মঘটের অধিকারেও হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। চুক্তি নিয়ে দর-কষাকষির মধ্যে হাইওয়ে ৪১৩ এবং ব্র্যাডফোর্ড বাইপাসের কাজ বন্ধ রাখেন এই প্রকৌশলীরা।
প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ার্স গভর্নমেন্ট অব অন্টারিওর (পিইজিও) সদস্যরা এ ঘটনায় অন্টারিও লেবার রিলেশন্স বোর্ডে একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন। ৬০০ এর বেশি পেশাদার প্রকৌশলী ও ল্যান্ড সার্ভেয়রের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন এটি।
৪ অক্টোবর থেকে তারা বৈধ ধর্মঘটের অবস্থানে ছিলেন এবং গত মাসের শেষ দিক থেকে পালাক্রমে ধর্মঘট শুরু করেন তারা। অন্টারিওর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পগুলো থেকে তারা সেবা প্রত্যাহার করে নেন। এখন তারা বলছেন, নিয়োগদাতারা পরবর্তী নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত ওইসব কর্মীরা কাজে ফিরতে পারবেন না জানিয়ে কার্যত তাদের বরখাস্ত করছে।
পিইজিও লেবার বোর্ডে দাখিল করা দাবিতে বলেছে, সরকারের চাওয়া পরিস্কার। যারা সেবা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন তাদেরকে কর্মস্থলে নিষিদ্ধ করার মধ্য দিয়ে নিশ্চিতভাবেই সরকার সম্ভাব্য দ্বিতীয় পর্যায়ের ধর্মঘটের প্রতি এই বার্তা দিচ্ছে যে, তারাও কর্মস্থলে নিষিদ্ধ হবেন। এটা অবৈধ। কারণ, সরকার কর্মীদেরকে তাদের সুশৃঙ্খলভাবে ধর্মঘট করার অধিকারে বাধা সৃষ্টি করছে। কর্মীরা কতক্ষণ তাদের সেবা প্রত্যাহার করতে পারবেন কর্তৃপক্ষের তা নির্ধারণ করে দেওয়া পিইজিওর ধর্মঘটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ তাদের সেবা প্রত্যাহারের অধিকারের পরিপন্থী।
ট্রেজারি বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ক্যারোলাইন মালরোনি পার্লামেন্টে প্রশ্নোত্তর পর্বে বলেন, ন্যায্য চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য সরকার পিইজিওর সঙ্গে দর-কষাকষির একাধিক সেশনের আয়োজন করে। সাম্প্রতিক বাধা প্রদানের পরিপ্রেক্ষিতে পিইজিওর প্রতিনিধিত্বকারী কর্মীরা তাদের সেবা পুরোপুরি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং তাদেরকে তাদের নিয়োগদাতার সংশ্লিষ্ট শর্তগুলোর ব্যাপারে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পিইজিওর প্রেসিডেন্ট নিহার ভাট বলেন, সদস্যদের আয় ব্যাপকভাবে কমেছে। কখনো কখনো তাদের রোজগার মিউনিসিপালিটিগুলোর সমপর্যায়ের কর্মীদের অর্ধেকে নেমে এসেছে।

