
মেরু ভল্লুক নিয়ে গবেষণাকে অপ্রথাগত মনে হতে পারে। কিন্তু এই প্রাণীর বিষ্ঠা তাদের স্বাস্থ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হতে পারে।
হ্যালিফ্যাক্সের ডালহৌসি ইউনিভার্সিটির কৃষি ও মৎস্য চাষ বিভাগের অধ্যাপক স্টিফেন কলিন্সের মতো গবেষকদের কাছে ‘পোলার বিয়ার পু’ খুবই মূল্যবান টুল। তিনি বলেন, ডায়েট সম্পর্কে আমরা কীভাবে জানতে পারি এবং সেই ডায়েট একটি প্রাণীর স্বাস্থ্যের ওপর কী প্রভাব ফেলছে সেসবের উত্তর আছে এখানে।
নমুনা এসেছে দুই গ্রুপের পোলার বিয়ার থেকে। ককরেন পোলার বিয়ার হ্যাবিটেটের অ্যামি ব্যাক্সেডেন-ইয়ং বলেন, বিষয়টিতে যুক্ত হওয়া ছিল খুবই মজার।
নমুনাগুলো গবেষকদের দেখিয়েছে যে, ভল্লুকের খাবারের পরিবর্তন কীভাবে তাদের গাট মাইক্রোবিয়মকে প্রভাবিত করছে। কলিন্স এবং তার দল এটা দেখিয়েছেন যে, দুই গ্রুপের মাইক্রোবিয়ন কত ব্যাপকভাবে ভিন্ন, যা তাদেরকে মরু ভল্লুকের স্বাস্থ্য নিয়ে ভবিষ্যতে গবেষণার রসদ জুগিয়েছে। আমাদের গাট মাইক্রোবিয়ন আমাদের সম্পর্কে অনেক কিছু বলে দেয়। এটা আমাদের স্বাস্থ্য, আমাদের খাদ্যের ব্যাপারে বলতে পারে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বরফের আচ্ছাদন যেহেতু হ্রাস পাচ্ছে তাই এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর বরফের আচ্ছাদন হ্রাস পাওয়ার কারণে মেরু ভল্লুকের পছন্দের খাবার সিল তাদের আয়ত্তের বাইরে চলে যাচ্ছে। এ ছাড়া বরফবিহীন মৌসুমও দীর্ঘায়িত জয়েছে, যার অর্থ হচ্ছে আইস প্ল্যাটফরমে মেরু ভল্লুকের কাটানো সময় সংকুচিত হয়েছে। এই পরিস্থিতি মেরু ভল্লুকদের খাবারের বিকল্প উৎস খুঁজে নিতে বাধ্য করছে। আর এসব খাবারে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় উচ্চ চর্বির স্বল্পতা রয়েছে।

