
জুলাইয়ের গোড়ার দিকে ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাসরত বোন যখন কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার কথা বলেন তখন রীতিমতো বিস্মিত হয়েছিলেন গেইল রবিন। বিপণন ও যোগাযোগ পেশার অন্টারিওর সেইন্ট ক্যাথারিন্স থেকে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমি ভেবেছিলাম, সত্যিই কী তাই? এটা তো গ্রীষ্ম।
সপ্তাহখানেক পর ক্যাম্পিংয়ের সময় এক সকালে উঠে দেখেন তারও গলাব্যথা হচ্ছে। তার মনে হয়েছিল এটা বোধ হয় গ্রীষ্মকালের ঠান্ডা। এটা যে কোভিড হতে পারে তেমনটি তার কাছে মনে হয়নি। কয়েকদিন পর যখন তিনি বাড়ি ফেরেন তকন খুব একটা ভালো বোধ করছিলেন না। তিনি র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের সিদ্ধান্ত নেন এবং তিনি পজিটিভ হন।
তারপর থেকেই রবিনের পার্টনার এবং তার পরিবার ও তার কিছু বন্ধু-বান্ধব ও সহকর্মী কোভিড পজিটিভ হন। তা সে কানাডায় যেমন একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রেও। প্রায় প্রতিদিনই আমি শুনছি যে আরও কেউ কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন।
আপস্ট্রিম ল্যাবের পরিচালক ড. অ্যান্ড্রু পিন্টো বলেন, আমরা কোভিডের সামার ঢেউয়ের মধ্যে রয়েছি। ওয়েস্টওয়াটার উপাত্তে কোভিড-১৯-এর তৎপরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তার পারিবারিক প্র্যাক্টিস ক্লিনিকে রোগীর সংখ্যা বাড়তে দেখছেন। কোভিড সম্পর্কে একটি সত্যিকারের অনন্য বিষয় হচ্ছে এটা আমাদের হতবাক করছে, যেমনটা অন্যান্য রেসপিরেটরি প্যাথোজেন্সে দেখা যাচ্ছে না।
অন্টারিও কোভিড-১৯ সায়েন্স অ্যাডভাইজরি টেবিলের সাবেক বৈজ্ঞানিক পরিচালক ড. ফাহাদ রাজাক বলেন, করোনাভাইরাস ঐতিহাসকিভাবে সারাবছরই ছড়ায় এবং মৌসুমি কোনো প্যাটার্ন অনুসরণ করে না। কোভিনড-১৯ তুলনামূলকভাবে এখনো নতুন হওয়ার কারণে মানুষের মধ্যে ইমিউনিটি তৈরি হয়নি। যেমনটা হয়েছে ফ্লু এবং আরএসভির ক্ষেত্রে। কারণ, এগুলো দীর্ঘসময় ধরে আছে।

