
গত ৬ সেপ্টেম্বর কানাডার টরেন্টোতে “ছাত্র জনতার গণ-অভ্যুত্থান, প্রবাসী জনগনের প্রত্যাশা এবং করণীয় “শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে পিডিআই কানাডা। পিডিআই সভাপতি আজফর সৈয়দ ফেরদৌস এর সভাপতিত্বে মনির জামান রাজুর সঞ্চালনায় শহরের ছাত্র, যুব এবং নাগরিকরা অংশ নেন। সভায় ছাত্রদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নুসাইবা নাওয়ার- মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যায় , সৃজনী রহমান- পিএইচডি অধ্যয়নরত- ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যায় ,সুকন্যা চৌধুরী- টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় , নেইথেন হাসান টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়, শাদমান হাবিব, ট্রেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়।
নাগরিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিদ্যুৎ রঞ্জন দে, নাসির উদ দুজা, সৌমেন সাহা, সোলায়মান তালুত রবিন, ইমামুল হক, ভিক্টর গোমেজ ,আরিফ মোরশেদ ,মিনারা বেগম , কামরান করিম, ড. জান্নাতুল ফেরদৌস, আহমদ হোসেন, নাসির উদ দুজা, প্রমূখ।
সভার শুরুতে বাংলাদেশ এবং কানাডার জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয় এবং গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নিরবতা পালন করা হয়।। সমবেতভাবে উপস্থিত নাগরিকরা জাতীয় সংগীতে অংশ নেন।সভায় কানাডায় শিক্ষারত বাংলাদেশী ছাত্ররা, কানাডায় বড় হওয়া বাংগালী তরুন প্রজন্মের প্রতিনিধিরা আলোচনা করেন “ তারা কেমন বাংলাদেশ চান”।
প্রবাসী বিশিষ্ট নাগরিকরা আলোচনা করেন তাদের প্রত্যাশা, করনীয় এবং প্রবাসীদের অধিকার নিয়ে।
সভায় আলোচনায় নিম্নলিখিত দাবি সমূহ উত্থাপিত হয়।ঃ
১। জুলাই আগষ্টের আন্দোলনে শহীদ এবং আহতদের তালিকা এবং শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন, আহতদের চিকিৎসা, ক্ষতিপুরনের ব্যবস্থা করতে হবে
২। শত শত ছাত্র জনতার হত্যার বিচার, ঢালাওভাবে মামলা না করে সুনির্দিষ্ট মামলা এবং নিশ্চিত করতে হবে।
৩। রাষ্ট্রীয় সকল নীতিতে বৈষম্যহীন নীতি গ্রহন করতে হবে। ধর্ম, বর্ন, জাতীগোষ্টী মধ্যে রাষ্ট্রীয় বৈষম্য বন্ধ করতে হবে।
৪। দেশ থেকে পাচারকৃত সকল অর্থ ফেরত আনার ব্যবস্থা করতে হবে। সকল পর্যায়ে দূর্নীতি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
৫। দেশপ্রেম এবং আত্মমর্যাদার নীতিতে ভারত,চীন, আমেরিকা স্কল দেশের সাথে দেশের পররাষ্ট্র নীতি ঢেলে সাজাতে হবে।
৬। যৌক্তিক সময়ে আবাধ, গ্রহনযোগ্য , নিরপেক্ষ নির্বাচন এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তেরর পরিকল্পনা ঘোষনা করতে হবে।
প্রবাসীদের অধিকার ও দাবী সমূহ।
১। সারা বিশ্বের সকল প্রবাসীদেরকে আগামী নির্বাচনেই ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
২। দেশ থেকে প্রবাসে যাওয়া বা ফেরত আসার সময় সকল ধরনের হয়রানি এবং বৈষময়মুলক আচরন বন্ধ হরতে হবে।
৩। বিদেশে অবস্থিত সকল মিশনে নাগরিকদের সাথে সম্মানজনক এবং পেশাদারি আচরন নিশ্চিত করতে হবে।
৪/ কুটনৈতিক মিশনের সদস্যদেরকে প্রবাশের রাজনৈতিক সভা এড়িয়ে চলতে হবে
৫। কূটনৈতিক মিশন থেকে কোনকম হয়রানি ছাড়া সেবা দিতে হবে
৬। কূটনৈতিক মিশন থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র, পাসপোর্ট তৈরি, নবায়ণ, নো ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করে প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

