
আমেরিকান স্ট্রিমিং কোম্পানিগুলো অন্যায়ভাবে নতুন কানাডিয়ান ফির লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, কোম্পানিগুলো অন্যায্যভাবে সীমান্তের উত্তরের স্বার্থ দেখছে।
কানাডিয়ান রেডিও-টেলিভিশন অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন্স কমিশন নেটফ্লিক্স ও স্পোটিফাইয়ের মতো বিদেশি স্ট্রিমিং কোম্পানিগুলোকে তাদের কানাডিয়ান রাজস্বের ৫ শতাংশ স্থানীয় সংবাদ ও কানাডিয়ান কনটেন্টকে দেওয়ার নির্দেশা প্রদান করেছে। এ নিয়ে মার্কিন কংগ্রেস ও বাণিজ্য সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, আমেরিকান কোম্পানিগুলোর ব্যাপারে এটা বৈষম্য। কিছু কোম্পানি আবার পাল্টা ব্যবস্থার ধারণা দিচ্ছে।
অটোয়াতে মার্কিন দূতাবাস বলেছে, অনলাইন স্ট্রিমিং অ্যাক্টের দিকে তারা ঘনিষ্ঠ নজর রাখছে। নতুন এই ফি লিবারেল সরকারের আইন বাস্তবায়নে নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির অংশ।
দূতাবাসের একজন মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেছেন, শক্তিশালী অডিওবিজুয়াল এবং সংবাদ শিল্পের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র কানাডার স্বার্থ ভাগাভাগি করে নিয়ে থাকে। কিন্তু অনলাইন স্ট্রিমিং অ্যাক্ট অন্যায্যভাবে বৃহৎ কানাডিয়ান কোম্পানিগুলোর স্বার্থ রক্ষায় মার্কিন কোম্পানিগুলোকে লক্ষ্যে পরিণত করছে বলে মনে হচ্ছে। এই বিলটি বাস্তবায়নে যেনো মার্কিন অংশীজনদের মতামত নেওয়া হয় সে ব্যাপারে আমরা কানাডাকে উৎসাহিত করছি।
টেক জায়ান্ট ও প্রথাগত ব্রডকাস্টার মধ্যে খেলার সমতল মাঠ তৈরির উদ্দেশে এক বছর আগে সংসদে আইনটি পাস হয়। নতুন এই ফি কানাডার সম্প্রচার ব্যবস্থায় প্রতি বছর প্রায় ২০ কোটি ডলার যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে ফেডারেল নিয়ন্ত্রক সংস্থা টিভি ও ফিল্ম বাবদ মার্কিন প্রোডাকশন কোম্পানিগুলো কানাডায় যে পরিমাণ ব্যয় করেছে তাকে কম করে দেখাচ্ছে বলে জানান আমেরিকা’স ন্যাশনাল ফরেন ট্রেড কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট টিফানি স্মিথ।

