
প্রায় চার বছর ডিসকাউন্ট ক্যারিয়ারে দায়িত্ব পালনের পর এই গ্রীষ্মে পদত্যাগ করতে যাচ্ছে ফ্লেয়ার এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) স্টিফেন জোন্স। সাত বছর বয়সী কোম্পানিতে সিইওর মেয়াদ মসৃণ ছিল বলা যাবে না। কারণ, এয়ারলাইন্সটি বহর সম্প্রসারণ করলেও তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে আর্থিক দুর্দশায় পড়ে।
৪ জুন ফ্লেয়ার বলেন, তার জায়গায় কাউকে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অন্তর্বর্তী সিইও হিসেবে ম্যাসিয়েই উইল্কের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। পর্ষদ নতুন সিইও নির্বাচনের আগ পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন। ২৮ জুন জোন্সের অবসরে যাওয়ার কথা রয়েছে।
এডমন্টনভিত্তিক এয়ারলাইন্সটির ২০টি উড়োজাহাজের বহর রূপান্তরকালীন এই সময়ে পরিচালন কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে কোম্পানির তরফ থেকে বলা হয়েছে। যদিও গত ১৮ মাসের কিছু প্রতিবন্ধকতা এখনো রয়ে গেছে।
টরন্টো থেকে টেলিফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জোন্স বলেন, তিনি অবসরের জন্য প্রস্তুত বলে তার কাছে মনে হয়েছে এবং এজন্য তার ওপর কোনো চাপ নেই। আমার বয়স হয়েছে এবং আমি জীবনের এমন একবটি পর্যায়ে পৌঁছে গেছি, যে এখন আমি অন্য কিছু অর্জন করতে চাই। ৪০ বছর ধরে আমি বিরতিহীন কাজ করছি এবং কাজটা খুব সহজ নয়। সামনের কয়েক সপ্তাহে ৬৩ বছরে পা রাখতে যাচ্ছেন জোন্স।
হাঙ্গেরির বাজেট ক্যারিয়ার ভিজ এবং প্রায় এক যুগ এয়ার নিউ জিল্যান্ডে কাজ করার পর কোভিড-১৯ মহামারি শুরুর প্রায় ছয় মাস আগে ফ্লেয়ারের দায়িত্ব নেন জোন্স। বৈশি^ক ভ্রমণ যখন মূলত বন্ধ সেই সময় এয়ারলাইন্সটির নেতৃত্ব দেওয়ার সাহস দেখান তিনি।

