
প্রতি বছর কানাডায় আসা মানুষের সংখ্যা স্থিতিশীল করতে ফেডারেল সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অভিবাসনমন্ত্রী শন ফ্রেজার। আবাসনের ওপর ব্যাপক চাপের কারণে এই পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার।
দ্য কানাডিয়ান প্রেস ১১ জানুয়ারি ২০২২ সালের অভ্যন্তরীণ এক নথির ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়েছে, অভিবাসন বিভাগের কর্মীরা তাদের উপমন্ত্রীকে এই বলে সতর্ক করে দিয়েছেন যে, অভিবাসনের বড় ধরনের উল্লম্ফন আবাসন ও সেবা প্রাপ্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
ফেডারেল সরকার শেষ পর্যন্ত ২০২৫ সাল পর্যন্ত কানাডায় প্রতি বছর ৫ লাখ স্থায়ী বাসিন্দাকে স্বাগত জানানোর সিদ্ধান্ত নেয়। ২০১৫ সালের তুলনায় সংখ্যাটি প্রায় দ্বিগুণ।
লিবারেল মন্ত্রীরা ১২ জানুয়ারি এক যৌথ বিবৃতিতে অভিবাসনের স্তর বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের প্রতি তাদের সমর্থন তুলে ধরেছে। তাদের যুক্তি হচ্ছে, মহামারি-পরবর্তী কানাডার পুনরুদ্ধারে সহায়তা করছে অভিবাসীরা।
বিবৃতিতে তারা বলেছেন, মহামারি-পরবর্তীতে আমরা যদি অভিবাসীর সংখ্যা না বাড়াতাম তাহলে অর্থনীতি সংকুচিত হতো। বিপুল শ্রমিক সংকটের থাকা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যেত। স্বাস্থ্যসেবাসহ কানাডিয়ানদের জন্য প্রয়োজনীয় সামাজিক সেবা প্রাপ্তি আরও বিলম্বিত হতো। অথবা এগুলো পাওয়া আরও কঠিন হতো।
মিলার এবং ফ্রেজারও ১২ জানুয়ারি বলেন, আবাসনের ওপর চাপ ফেডারেল সরকারকে অভিবাসন ও অস্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রায় সামঞ্জস্য আনতে বাধ্য করছে।
মিলার ২০২৬ সালে কানাডায় স্থায়ী বাসিন্দার সংখ্যা ২০২৫ সালের মতো ৫ লাখে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জালিয়াতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের কারণে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী কর্মসূচিতেও পরিবর্তন এনেছে লিবারেল সরকার।
লিবারেল মন্ত্রীরা বলছেন, পোস্ট-সেকেন্ডারি ইনস্টিটিউটগুলো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আবাসনের চাহিদা পূরণ না করলে ফেডারেল সরকার তাদের বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রস্তুত।

