
উত্তরপশ্চিম অন্টারিওর প্রত্যন্ত চারটি ফার্স্ট নেশন কমিউনিটির বাড়ির বাতাসে উচ্চ মাত্রায় কার্বন মনোক্সাইড, সূক্ষ্ম বস্তুকণা, মল্ড অন্যান্য উপাদানের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এগুলো শ^াসতন্ত্রের সংক্রমণ বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য দায়ী। এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমনটাই উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনের লেখক ও কার্লেটন ইউনিভার্সিটির সম্মানিত গবেষণা অধ্যাপক ডেভিড মিলার বলেন, বায়ু চলাচল ব্যবস্থা উন্নত করার সুযোগ রয়েছে। ব্ল্যাক হোল থাকার সম্ভাবনা নেই।
নভেম্বরে প্রকাশিত গবেষণায় ল্যাক সিউল ফার্স্ট নেশন, কাসাবনিকা লেক ফার্স্ট নেশন, স্যান্ডি লেক ফার্স্ট নেশন এবং কিচেনুমেকুসিব ইনিনুগ ফার্স্ট নেশনের ১০১টি বাড়ির বাতাস পরীক্ষা করা হয়। শীতকালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ছাড়াই তিনটি ফার্স্ট নেশনের কোনো সড়ক যোগাযোগ নেই। এসব বাড়ির মধ্যে ২৭ শতাংশে উচ্চ মাত্রায় কার্বন মনোঅক্সাইডের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। দৃশ্যমান মল্ড পাওয়া গেছে প্রায় অর্ধেক বাড়িতে।
মিলার বলেন, দশ শতাংশ বাড়িতে যথেষ্ট পরিমাণে মল্ড ড্যামেজ পাওয়া গেছে, যেগুলো আগামীকাল নয়, আজই সমাধান করা দরকার। এন্ডোটক্সিনও কানাডায় আগের যেকোনো গবেষণার চেয়ে বেশি মাত্রায় পাওয়া গেছে। ব্যাকটেরিয়াল যৌগ পাওয়া গেছে মিলারের জীবদ্দশায় দেখা পরিমাণের চেয়ে এক হাজার গুণ বেশি। এন্ডোটক্সিনের ঘনত্ব বেশি হলে তা ফুসফুসের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং বিশেষ করে শিশুদের অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া বাড়িয়ে দেয়।
পোষ্য, বাড়িতে ফায়ারউডের মজুদ এবং সিগারেটের ধোয়া থেকে এন্ডোটক্সিন আসতে পারে। শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে এর মাত্রা সাধারণত বেশি হয়ে থাকে।
সিউক্স লুকআউট অঞ্চলের একই ফার্স্ট নেশনগুলোর শিশুদের ওপর ২০২২ সালে পরিচালিত এক গবেষণায় তাদের বয়স দুই বছর হওয়ার আগেই শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহের কারণে ২১ শতাংশ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। গবেষণায় আবাসন নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়, যা স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
ফার্স্ট নেশনের আবাসন কানাডাজুড়ে একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার তথ্য বলছে, প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন ফার্স্ট নেশন লোক জনবসতিপূর্ণ বাড়িতে থাকেন। রিজার্ভ এরিয়ার এক-তৃীয়াংশ মানুষ এমন বাড়িতে থাকেন যেগুলোর বড় ধরনের মেরামত প্রয়োজন।

