
সুপ্রিমকোর্ট অব কানাডা বলেছে, ফৌজদারি বিচারে বিলম্বের সীমা নির্ধারণ করে যে কর্মকাঠামো তৈরি করা হয়েছে তা জটিল মামলার বিচারকাজের জন্য যথেষ্ট নমনীয়। প্রধান বিচারপতি রিচার্ড ওয়াগনার শুক্রবার বলেন, ২০১৬ সালে আদালত যে কর্মকাঠামো প্রতিষ্ঠা করেছে তা ক্রাউনের উদ্বেগগুলো নিরসনের জন্য যথেষ্ট অভিযোজনযোগ্য। আমার দৃষ্টিতে জর্ডান কর্মকাঠামো এরই মধ্যে ক্রাউনের উদ্বেগগুলো নিরসনের জন্য প্রয়োজনীয়তা নমনীয়তা দিয়েছে। গত এক দশকে আইনি ও আইনসভাগত যে পরিবর্তন ফৌজদারি বিচার কার্যক্রমকে জটিল করেছে এবং জর্ডান কর্মকাঠামো এর সমাধান দিতে সক্ষম।
অন্টারিওর একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের রুলিং শুক্রবার প্রকাশিত হয়েছে। মামলাটির ক্ষেত্রে আদালত চারদিনের যে বিলম্ব নির্ধারণ করেছিল তা অতিক্রম করে গেছে।
আর.ভি. জর্ডান হচ্ছে ২০১৬ সালে সুপ্রিমকোর্টের দেওয়া ঐতিহাসিক রুলিং, যার উদ্দেশ্য কোনো অভিযুক্তের একটি যৌক্তিক সময়ের মধ্যে বিচার পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষিত করা। এক্ষেত্রে ক্রাউনের যুক্তি হচ্ছে, মামলার জটিলতার নিরিখে বিলম্ব যৌক্তিক। বিচারকরা যাতে বিচারে যৌক্তিক বিলম্বের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও বেশি প্রজ্ঞা কাজে লাগাতে পারেন সেজন্য আদালতের প্রতি তারা আইন পরিবর্তনের আহ্বান জানান।
সিদ্ধান্তটি এসেছে আর.ভি. ভ্রাবানিক নামে একজন মাদক পাচারকারীর মামলাকে কেন্দ্র করে, যেখানে ১৮ জন ব্যক্তি সম্পৃক্ত। এই মামলায় বিপুল সংখ্যক প্রমাণ ও বেশ কিছু বিচারপূর্ব প্রক্রিয়া অনুসরণে দুই বছর চলে যায়।
সহ-অভিযুক্তরা এই প্রক্রিয়ার স্থগিত চান। এক্ষেত্রে তাদের যুক্তি হচ্ছে একটি যৌক্তিক সময়ের মধ্যে বিচার পাওয়ার যে অধিকার তা ভঙ্গ হয়েছে। প্রাদেশিক আদালতে অভিযোগ গঠনের ১৮ মাসের মধ্যে অবশ্যই বিচারকাজ শেষ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, যদি না ক্রাউন জটিলতার মতো কোনো ব্যতিক্রমী পরিস্থিতির কথা উল্লেখ না করে।
সুপ্রিমকোর্ট ডিসেম্বরেই মামলাটি বিচারের জন্য ফেরত পাঠিয়েছে। সর্বোচ্চ আদালত বলেছে, পরবর্তীতে তারা এই সিদ্ধান্তের কারণ পরবর্তীতে তারা জানাবে।
হেলাল চৌধুরী : লোকাল জার্নালিজম ইনিশিয়েটিভ রিপোর্টার

