
কানাডিয়ান সড়কের প্রসঙ্গ এলে টরন্টো থাকবে সবার ওপরে। দূরত্বের বিচারে গড়ে দীর্ঘতম যাতায়াত করতে হয় টরন্টোর চালকদের।
যুক্তরাজ্যের কার ইন্স্যুরেন্স বিশেষজ্ঞ মানিসুপারমার্কেট নতুন এক গবেষণায় দেখিয়েছে যে, একক রাউন্ড ট্রিপে টরন্টোতে গড় যাতায়াতের দূরত্ব ৩২ কিলোমিটার। এর পরেই ভ্যানকুভারের অবস্থান। এখানকার একজন চালককে প্রতি যাতায়াতে গড়ে ২৪ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়। শীর্ষ পাঁচে থাকা এডমন্টনের চালকদের ক্ষেত্রে এই দূরত্ব গড়ে ২১ কিলোমিটার।
ইউনিভার্সিটি অব টরন্টোর ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনস্টিটিউটের পরিচালক ম্যাটি সিয়েমিয়াটিকি বলেন, আমাদের গাড়ির সংখ্যা অনেক হলেও স্থান যথেষ্ট নয়। নগরীতে প্রতি বছর মানুষ বাড়ছে। কিন্তু সড়কের পরিসর পর্যাপ্ত নয়।
যাতায়াতের সর্বোচ্চ ব্যস্ত সময়ে কী পরিমাণ সময় বাঁচানো সম্ভব তা নির্ধারণে গবেষকরা বিশ^ব্যাপী ১৫০টির বেশি শহরের গাড়ির গতি, যাতায়াতের দূরত্ব এবং সার্বিক যানজট বিশ্লেষণ করেছেন। সিয়েমিয়াটিকি বলেন, বহু গাড়িতেই মাত্র একজন ব্যবহারকারী থাকেন এবং এতে সক্ষমতার সমস্যা তৈরি হচ্ছে। অধিকাংশ মানুষই নিজেই তাদের গাড়ি চালান এবং এতে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। অন্যান্য শহরে কারপুলিং ও রোড টোলিংকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। আপনি যখন কোনো কিছুর ওপর খরচ চাপিয়ে দেবেন লোকজন তখন স্বাভাবিক নিয়মেই বিকল্পের সন্ধান করবে।
বিশ্বের বহু শহরই এ ধরনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে। লন্ডনে কেন্দ্রীয় যানজট মাশুল চালু আছে। এ ছাড়া নিউ ইয়র্ক সম্প্রতি ম্যানহাটনে যানজটমুক্ত জোন বাস্তবায়ন করেছে। কিন্তু টরন্টোর রাস্তায় মিশ্র সুযোগ রয়েছে। একজন বলেন, পরিবেশগ এবং গাড়ির সংখ্যা উভয় বিবেচনাতেই গণপরিবহনের সাহায্য নেওয়া সবচেয়ে ভালো পথ। সুতরাং, টোল আদায় করা যে বিশ্বে নিকৃষ্টতম আইডিয়া এমনটা আমি মনে করি না। আরেকজন বলেন, টোলের প্রতি কেউ আগ্রহী হবে বলে আমি মনে করি না।

