
লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরে এয়ার কানাডার বিমান দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ফ্লাইট অ্যাটেন্ডন্টের পরিবার তার সুস্থতায় সহায়তার জন্য প্রচারণা শুরু করেছে। সেই সঙ্গে গত সপ্তাহের ওই দুর্ঘটনার সময় তাকে যে অসহনীয় অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে সেই বর্ণনা দিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। ওই দুর্ঘটনায় দুই পাইলট নিহত হয়েছেন।
সারাহ লিপাইন বলেন, ২২ মার্চ মন্ট্রিয়ল থেকে নিউ ইয়র্কগামী এয়ার কানাডা জ্যাজ ফ্লাইট ৮৬৪৬ যখন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় ফায়ার ট্রাকের ওপর বিধ্বস্ত হয় তখন তার মা সোলাঞ্জ ট্রেম্বলে জাম্প সিটে ছিলেন।
দুর্ঘটনায় দুই পাইলট ফার্স্ট অফিসার ম্যাকেঞ্জি গান্থার এবং ক্যাপ্টেন অ্যান্টনি ফরেস্ট নিহত হন। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের মরদেহ কানাডায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
লিপাইন বলেন, দুর্ঘটনার সময় ৩২০ ফুট উঁচু থেকে বিধ্বস্ত বিমান থেকে তিনি বেরিয়ে আসেন। তখনো তিনি তার জাম্প সিটে আটকা ছিলেন এবং রানওয়েতে পড়ে ছিলেন। আমরা মা পুরো বিষয়ে সজাগ ছিলেন এবং এই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন।
লিপাইন বলেন, তার মার দুই পা ভেঙে গেছে, যা থেকে সেরে উঠতে একাধিক অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হবে। তাছাড়া মেরুদ-ও ভেঙে গেছে এবং প্রথম অস্ত্রোপচারের পর রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তার মায়ের লড়াই এখনো শেষ হয়নি এবং তাকে সম্ভবত আরও অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সেই সঙ্গে তিনি যদি আবারও হাঁটতে চান তাহলে নিবিড় পুনর্বাসনের প্রয়োজন হবে। এই মুহূর্তে আমাদের সবচেয়ে বড় ভয় সংক্রমণ নিয়ে। তার ক্ষতস্থান সংক্রমিত হলে আরও ভয়ঙ্কর জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।
তার মাকে নিউ ইয়র্কে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য থাকতে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং লিপাইন ও তার পরিবার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ খরচ মেটাতে গোফান্ডমি ক্যাম্পেইন শুরু করেছেন।

