
দুই দশক আগে হয়েছিলো এই সিদ্ধান্ত। কিস্তু মুখ দেখেনি বাস্তবায়নের। নাগরিকদের প্রত্যাশা ছিলো প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে অন্টারিও প্রদেশজুড়ে ইলেক্ট্রনিক মেডিকেল রেকর্ড ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। নানা ধরনের জটিলতায় সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়নি। বাতিলও করা হয়নি।
প্রাদেশিক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে কাজ শুরু হয়েছে মাত্র। তবে এবার সরকার খুবই সিরিয়াস কাজটি বাস্তব রূপ দেবার জন্যে।
বাংলাদেশি ফ্যামিলি ফিজিশিয়ান ডা. নুরুল্লাহ তরুন এই প্রতিবেদককে বলেন, ডিজিটালি নেটওয়ার্কিং সবসময় ভালো ফল বয়ে আনে। অনেক ইফেকটিভ ওয়েতে এগুলো কাজ করে। রোগী এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী উভয়ের জন্যই আশা করি এই প্রজেক্ট মঙ্গলজনক হবে। মনে করুন কোনো রোগী যদি জরুরি বিভাগে আসেন তাহলে তার সব প্রিভিয়াস তথ্য দরকার হয়। আর সে সময় যদি এসব তথ্য পাওয়া না যায় তাহলে চিকিৎসা দেওয়াটা সত্যিকার অর্থেই চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়। তাদের বৃত্তের প্রত্যেকের স্বাস্থ্য তথ্য, তাদের অ্যালার্জি, তাদের ওষুধ, তাদের ভ্যাকসিনেশন, পরীক্ষার ফলাফল সম্পর্কে জানতে চান এবং এটা তো আসলে তাদের অধিকার। এই সকল হিস্ট্রি একটি নেটওয়ার্কিংএ থাকা খুবই জরুরী।
এই প্রতিবেককে স্কারবোরো জেনারেল হাসপাতালের দায়িত্বরত ডাক্তার মেই চিন বলেন, অধিকাংশ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী এরই মধ্যে ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড ব্যবহার করছেন। তবে এর মধ্যে কোনো ইন্টার কানেকশন নাই। এখন দরকার এর সম্প্রসারণ। ফলে সকল পরীক্ষার ফলাফল এতে থাকবে। থাকবে হাসপাতালে ভিজিট, অন্টারিও হেলথ অ্যাটহোমের সঙ্গে কথোপকথন এবং সবকিছু।
অন্টারিও প্রাদেশিক সরকারের এই পদক্ষেপ অবশ্যই সাধারণ নাগরিকদের অনেক স্বস্তি দেবে-এমন ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। শুধুমাত্র পরিকল্পনা নয়, এটির বাস্তবায়নও অনেক বড় চ্যালেঞ্জ।
হেলাল চৌধুরী : লোকাল জার্নালিজম ইনিশিয়েটিভ রিপোর্টার

