
কেবলমাত্র গ্রেটার টরন্টোতে নয়, পুরো কানাডা জুড়ে নাগরিকদের নাভিশ্বাস ওঠার মতো অবস্থা। বেড়েছে গ্যাসের দাম। চলমান ইরান যুদ্ধের কারণে এই মূল্যবৃদ্ধি সেটা সহজেই বোঝা যায়। অনেকেই আশঙ্কা করছেন যে, এই অবস্থা চলতে থাকলে সকল পণ্যের দাম বাড়তে থাকবে। বাড়বে পরিবহন ব্যয়। উবার কিংবা ট্যাক্সি ইন্ড্রাষ্ট্রির সঙ্গে সম্পৃক্তদের অবস্থা আরো শোচনীয়।
এই বিষয়টি নিয়ে এই প্রতিবেদক কথা বলেন টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির শিক্ষার্থী শেখ মান্নাতের সঙ্গে। মান্নাত সবসময় গভীর মনোযোগের সঙ্গে কানাডার অর্থনীতির চড়াই উৎরাইকে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি বলেন, এটা কিছুটা মজার ব্যাপার যে, গ্যাসের মূল্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রতিটি পণ্য ও সেবা। গ্যাসের দাম কমলে পণ্যের দাম কমে না। কিন্তু গ্যাসের দাম বাড়লে পণ্যের দামও হু হু করে বেড়ে যায়।
ইরান যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে জ¦ালানি তেলের দাম বেড়েছে। সোমবার প্রতি লিটারে বেড়েছে ২০ সেন্টস। মধ্যপ্রাচ্যে সরবরাহ নিয়ে ঝুঁকির পরিপ্রেক্ষিতে এই মূল্য বৃদ্ধি। কারণ, হরমুজ প্রণালী এখনো বন্ধ রয়েছে। এসবের প্রতিফলন মূল্যস্ফীতির আসন্ন গণনায় দেখা যাবে।
মূল্যস্ফীতির উপাত্তে উন্নতি চোখে পড়লেও দ্রুতই পূর্বাভাস বদলে যেতে পারে। বিভিন্ন তথ্য উপাত্তে দেখা যায়, ফেব্রুয়ারিতে কানাডার মূল্যস্ফীতির হার ১ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ব্যাংক অব কানাডার ২ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম।
জ্বালানির উচ্চ মূল্যের প্রভাব পুরো অর্থনীতিতে পড়বে। এই যুদ্ধ যদি স্থায়ী হয় তাহলে প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হবে। নানা ধরনের অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে উঠে কানাডা যে বাবরবার এগিয়ে যাবার চেস্টা করছে স্টোর পথে নতুন করে বাঁধার সৃস্টি হলো।

